বিধায়ক মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়, মৃত্যুর পিছনে কি আর্থিক লেনদেন? গ্রেফতার ১

বিধায়ক মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়, মৃত্যুর পিছনে কি আর্থিক লেনদেন? গ্রেফতার ১

 নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে সিআইডি-র হাতে ২ জোনের নাম আসে সেই নাম হল   নিলয় সিংহ  ও মামুদ আলি। এই মৃত্যুর পিছনে কোনও আর্থিক লেনদেন জড়িয়ে রয়েছে? তদন্তে নেমে এমনটাই মনে করছে সিআইডি। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবেন্দ্রনাথের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর সোমবার তাঁর স্ত্রী চাঁদিমা দেবী পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুনঃ ঠান্ডা মাথায় খুন শুভ্রজিৎ কে? পোস্ট মর্টেমের নির্দেশ হাইকোর্টের।

সেখানে দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন তিনি— মামুদ আলি এবং নিলয় সিংহ। আবার ঝুলন্ত দেবেন্দ্রনাথের জামার পকেট থেকে যে চিরকুট পাওয়া গিয়েছে, সেখানেও ওই দু’জনের নাম, ছবি এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে লেখা ছিল— তাঁর মৃত্যুর জন্য এরাই দায়ী। এর পর পুলিশ মালদহের বাসিন্দা ওই দুই ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে। ইংরেজবাজার থেকে নিলয় সিংহকে ধরে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তাঁকে জেরা করে জানা যায়, নিলয় এক সময়ে রায়গঞ্জের সহকারি ব্যাঙ্ক (রায়গঞ্জ সেন্ট্রাল কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক)-এর কর্মী ছিলেন। সেখানে থাকার সূত্রেই আলাপ হয়েছিল দেবেন্দ্রনাথ রায়ের সঙ্গে। দেবেন্দ্রনাথের বাড়িতে তিনি প্রায় পাঁচ বছর ভাড়াও ছিলেন।হেমতাবাদের বিধায়কের মোবাইলের কল রেকর্ডস থেকে জানা গিয়েছে, মামুদের সঙ্গে বিধায়কের প্রায় প্রতি দিনই কথা হত। এক বার নয় বেশ কয়েক বার। তদন্তে জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন নিজের মোবাইল হারিয়ে ফেলেন দেবেন্দ্রনাথ। তার পর থেকে তিনি স্ত্রী-র মোবাইল ব্যবহার করতেন।

তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টায় মামুদকে ফোন করেন দেবেন্দ্রনাথ। তবে এই দ্বিতীয় ব্যক্তি অর্থাৎ চাঁচলের বাসিন্দা মামুদ আলির এখনও কোনও খোঁজ পায়নি পুলিশ।সব মিলিয়ে পুলিশের ধারণা জোরালো হচ্ছে, এই মৃত্যুর পিছনে রয়েছে আর্থিক লেনদেন। প্রতারণার ওই চিত্র প্রকাশ্যে এলেই মৃত্যু রহস্যের কিনারা করা সম্ভব বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x