ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। পাচার ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ রুখতে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসাচ্ছে ভারত। তবে, এই উদ্যোগকে ঘিরে বাংলাদেশের উদ্বেগ প্রকাশ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যাবতীয় চুক্তি ও প্রোটোকল মেনেই বিএসএফ বেড়া বসাচ্ছে।
বাংলাদেশের উদ্বেগ
রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে তলব করে জানায় যে, সীমান্তের নির্ধারিত ১৫০ মিটারের মধ্যে বেড়া বসানোর আগে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন। ঢাকা অভিযোগ করেছে, অনুমোদন ছাড়াই বিএসএফ বেড়া দিচ্ছে, যা চুক্তি লঙ্ঘনের সমান।


ভারতের প্রতিক্রিয়া
পরদিনই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মহম্মদ নুরাল ইসলামকে ডেকে ভারত সরকার জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাচার, অনুপ্রবেশ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ রুখতে কাঁটাতারের বেড়া, প্রযুক্তির ব্যবহার, এবং অন্যান্য ব্যবস্থা প্রয়োজনীয়।
সীমান্ত পরিস্থিতি
ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩,০০০ কিমি এলাকায় ইতিমধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে। তবে সীমান্তে পাচার, অনুপ্রবেশ ও অপরাধ রোধে বাকি অংশেও বেড়া বসানোর কাজ চলছে। পাঁচটি সীমান্ত অঞ্চলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে।
কেন কাঁটাতারের বেড়া গুরুত্বপূর্ণ?


- আন্তঃসীমান্ত পাচার রোধ
- অপরাধীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ
- মানবপাচার প্রতিরোধ
- সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের জটিলতা সমাধানের পথে এগোনোর আশা করছে নয়াদিল্লি।







