ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই বাইরের লড়াই শুরু করে দিল নামিবিয়া। ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন অধিনায়ক জেরহার্ড ইরাসমাস। তাঁর অভিযোগ, অনুশীলনের সুযোগে বৈষম্যের কারণে ভারত বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে, যা বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে সমান প্রতিযোগিতার প্রশ্ন তুলছে।
চলতি বিশ্বকাপে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো একের পর এক শক্তিশালী দলকে চাপে ফেলছে। নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আমেরিকা—সবাই প্রতিপক্ষকে কঠিন লড়াই দিচ্ছে, যদিও শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখছে না। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে নামিবিয়ার কৌশল কী হবে, সেই প্রশ্নের জবাবে প্রাক-ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকে ইরাসমাস সরাসরি আইসিসির ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।


বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও নামিবিয়া। ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাতটা থেকে। কিন্তু নামিবিয়ার অভিযোগ, তারা ফ্লাডলাইটে অনুশীলনের সুযোগ পায়নি। ফলে দিনের আলোয় অনুশীলন করেই রাতে ম্যাচ খেলতে নামতে হচ্ছে তাদের, যেখানে আবহাওয়া বা পিচের আচরণ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাওয়া কঠিন।
ইরাসমাসের দাবি, ভারতকে আইসিসি ফ্লাডলাইটে দু’টি অনুশীলন সেশন দিয়েছে, কিন্তু নামিবিয়াকে একটিও দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, “আমাদের দেশে ফ্লাডলাইটের সুবিধা নেই। তাই আমরা রাতের অনুশীলন সেশন চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটা পাইনি। ভারত পেয়েছে, ফলে ওরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পেরেছে।”
নামিবিয়ার আরেকটি সমস্যা হল, দলে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলা ক্রিকেটার নেই। বেশিরভাগই দ্বিতীয় সারির লিগ, যেমন নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলেন। হাতে গোনা কয়েকজন ILT20-তে সুযোগ পান। ফলে ফ্লাডলাইটে খেলার অভিজ্ঞতা সীমিত, আর সেই অভিজ্ঞতার ঘাটতিই বড় ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


চলতি বিশ্বকাপে নামিবিয়া ইতিমধ্যেই একটি ম্যাচ খেলেছে। দিল্লির এই একই মাঠে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে তারা সাত উইকেটে হেরেছিল। তবে সেই ম্যাচের অভিজ্ঞতা থেকে পিচ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছে দলটি।
ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি তাই শুধু স্কোরবোর্ডের লড়াই নয়, বরং প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতার ব্যবধানও কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।







