যীশু রায়ঃ সুশান্ত মৃত্যু মামলায় মাদকযোগ তদন্তে এনসিবি গতকাল মাদক কারবাড়ির অভিযোগে গ্রেফতার করে রিয়ার ভাই সৌভিক চক্রবর্তী ও সামুয়েল মীরাণ্ডা কে। আর আজ সৌভিক এর বাজেয়াপ্ত করা ফোন থেকে ১৪ জন অত্যান্ত প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও প্রথম সারির অভিনেতার নাম এনসিবি র হাতে এসেছে বলে সূত্রের খবর। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বলিউড এর বাইরে ও ভেতরে।
এর পর আগামী তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকে তাকিয়ে সবাই। অন্যদিকে সুশান্ত মৃত্যুতে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে শীঘ্র গ্রেফতার হতে পারেন রিয়া. তদন্তে উঠে এসেছে রিয়ার সাথে পরিচয় এর পর থেকেই সুশান্ত এর শারীরিক অবস্থা অবনতি হতে শুরু করে। রিয়া ও তার পরিবার মাদক নিতেন। এবং রিয়া মাদক গাজা দিয়ে সুশান্ত এর অবসাদ কে দূর করতে চায়। তাই সুশান্ত এর মাদক এর কোনো অভাব না হয় তার জন্য সবসময় মাদক জমা থাকতো রিয়ার কাছে। যা তাঁকে যোগান দিত ভাই সৌভিক।
সুশান্ত এর দিদি সে কথা জানতে পেরে নেশা বন্ধ ও রিয়ার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। রিয়ার সঙ্গে দিদির ঝগড়াও হয়। কিন্তু সুশান্ত তা করতে পারেননি এবং আস্তে আস্তে আরো মাদকআসক্ত হয়ে পড়েন তিনি বলে অনুমান। রিয়া তাঁকে বলেন তার সাথে থাকতে অথবা পরিবারের কাছে চলে যেতে। প্রাক্তন ম্যানেজার দিশার মৃত্যুতে আরো ভেঙে পড়ে সুশান্ত। খুনের কোনো প্রমাণ তদন্তে এখনও মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে প্রবল অবসাদ দিদিদের সাথে রিয়ার ঝামেলা মানতে না পারা সুশান্ত চরম পরিণতির পথ বেছে নেয়।
রিয়ার ব্যাংক এ টাকা জমার কোনো প্রমাণ ও মেলেনি। কিন্তু তার মৃত্যুতে মাদক আসক্তি এবং পরিবার থেকে দূরে চলে যাওয়া বিশেষ কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যে সবকিছুই ঘটে রিয়া সুশান্ত এর জীবনে আসার পর। তাই আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার কারণে সিবিআই রিয়াকে গ্রেফতার করতে পারে বলে খবর।



