নজরবন্দি ব্যুরোঃ জল্পনা বাড়িয়ে খোদ অনুব্রতর গড়ে তৃণমূল নেতার বাড়িতে মুকুল! আচমকাই বীরভূমের তৃণমূল নেতার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন মুকুল রায়। সাথে সাথেই বাড়ল জল্পনা। বীরভূমের নলহাটি তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিভাস অধিকারীর বাড়িতে পৌঁছে যান তিনি। বিভাসের বাড়িতে গিয়ে গিয়ে মন্দির দর্শন করেন মুকুল রায়! পরে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তিনি মন্তব্য করেন “২০২১-এ বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসবে”।
আর পড়ুনঃ আজ মৃত্যু ৫০ জনের। করোনায় সুস্থ হয়ে উঠলেন ৮২ শতাংশ।
জল্পনা বাড়িয়ে খোদ অনুব্রতর গড়ে তৃণমূল নেতার বাড়িতে মুকুল! এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী সংবাদমাধ্যম কে জানিয়েছেন, ব্যাক্তিগত সম্পর্কের খাতিরেই মুকুল রায় কে বাড়িতে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, প্রায় একমাস আগে মুকুল রায়ের দিল্লির বাস ভবন থেকে হটাৎই উধাও হয়ে যায় মোদি-অমিত শাহের ব্যানার! মুকুল অনুগামীদের দাবি নাকি দিল্লীর ঝড়ে উড়ে গিয়েছে সব। যদিও ব্যাপারটা যে এমন নয় তাঁর খোঁজ মিলেছে পরে। বিজেপি সূত্রে খবর পাওয়া যায় মুকুল রায়ের সাথে তীব্র বাদানুবাদ হয় দলের শীর্ষ নেতাদের। তাঁর দাবি ছিল রাজ্য বিজেপি তে একটি শীর্ষ পদ অথবা কেন্দ্রিয় মন্ত্রীত্ব।
সূত্রের খবর তিনি বিজেপি শীর্ষ নেতাদের এমন কথাও বলেছেন যে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে সংখ্যালঘু ভোট বিজেপি তে সরিয়ে আনবেন। এবং দূর্বল করে দেবেন তৃণমূল কে। কিন্তু রাজ্য বিজেপি-তে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বা কেন্দ্রিয় মন্ত্রীত্ব, মুকুল রায়ের দুটো প্রস্তাবের কোনটি দিতেই রাজি হননি বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতারা। সবথেকে বেশি এই বিষয়ে আপত্তি করেন দিলীপ ঘোষ।
সেই বাদানুবাদের ভিত্তিতেই একপ্রকার অভিমান করে দিল্লীর বৈঠক ফেলে রেখে কলকাতায় ফিরে আসেন মুকুল রায়।মুকুলের আচমকা দিল্লি ফিরে আসার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য জল্পনা বাড়িয়ে দেয়। দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপিতে ব্যাক্তির থেকে দল বড়। পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে ব্যাপারটি মিটে যায়। দিলীপ-মুকুলের সম্পর্ক যথেষ্ট ভাল তা বোঝানোর চেষ্টা করা হয় উভয় পক্ষেই।
কিন্তু আচমকাই মুকুল রায়ের প্রতি যেন একটু বেশি ‘সক্রিয়’ হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় সরকারের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নারদ কাণ্ডের প্রেক্ষিতে মুকুল রায়কে তাঁর ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট-সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিতে বলা হয় ইডির তরফে। এই ঘটনায় প্রকাশ্যে কিছু না বললেও বেশ ক্ষুব্ধ মুকুল বলে খবর সূত্রের।



