নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিল্লি থেকে সামলাবেন দায়িত্ব, এই মুহুর্তে রাজ্য রাজনীতিতে চর্চিত বিষয় দিল্লি থেকে সামলানোর জন্য কি এবার তবে সোজা রাজ্যসভার আসনে বসতে চলেছেন মুকুল রায়। আর প্রসঙ্গ ক্রমেই উঠে আসছে দীনেশ ত্রিবেদির ছেড়ে যাওয়া আসনের কথা।
আরও পড়ুনঃ বিধানসভার স্পিকারকে তলব রাজভবনে, ট্যুইট খোদ রাজ্যপালের


দিন কয়েক আগেই কমিশনের তরফে নোটিস জারি হয়েছে, যাতে জানানো হয়েছে দ্রুততার সঙ্গে রাজ্যসভার বকেয়া ভোট মিটিয়ে ফেলা হবে। আগামী ৯ তারিখ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদির ছেড়ে যাওয়া আসনে হবে নির্বাচনে। প্রাথমিক ভাবে এই আসনের জন্য নাম উঠে এসেছিল যশবন্ত সিনহার।

তবে সেই জল্পনাকে টেক্কা দিয়ে উঠছে ফের রায়সাহেবের নাম। বিজেপি ছেড়ে মুকুল তৃণমূলে আসার সময়েও এই জল্পনা উঠেছিল তবে কি বিজেপির বিধায়ক মুকুল তৃণমূলে এসে যাবেন রাজ্যসভায়। জল্পনা তার পরে একপ্রকার চাপা পড়েছিল। গেরুয়া শিবিরের বারবার আন্দলোনের পরেও বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি মুকুল রায়।
দেশ জয়ের লক্ষ্যে মমতা, মুকুল দিল্লি থেকে সামলাবেন দায়িত্ব!
উল্টে তৃণমূলের নেতা বিজেপির বিধায়ক হওয়ার সুবাদে বসেছেন PAC চেয়ারম্যান পদে। মুকুল-মমতা চালে ওয়াকিবহাল মহল বলেছিল সাপও মরেনি, ভাঙেনি লাঠিও মমতা সরকারের। তবে দিনে দিনে প্রতিবাদের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে বিজেপি। এই মুদ্দার জল গড়িয়েছে দিল্লি পর্যন্ত। প্রস্তুতি চলছে হাইকোর্টে যাওয়ারও। এদিকে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় পড়ে চিঠি গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে, তার পরেও আগামী ৫ বছরের মধ্যে গেরুয়া শিবির দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী করতে পারবে না তা ভেবে নেওয়া যাচ্ছে না।



খেলা ঘোরাতে তাই এই মুহুর্তে তৃণমূলের প্ল্যান বি দিল্লি থেকে দায়িত্ব সামলাবেন মুকুল, এমনিতেই ২১ এর শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকেই জল্পনা সত্যি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহুর্তে রাজ্যের বাইরে পা রাখতে প্রস্তুত তিনি, তৈরি তার দল। দিল্লি সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় ২১ এর বক্তৃতা দিয়েই ভার্চুয়ালি ঢুকেছেন তিনি।
ডাক দিয়েছেন তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের, জানিয়েছেন দিল্লি গিয়ে বৈঠক করবেন একাধিক বিরোধী শিবিরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে। মমতার এসব কথায় একেবারে স্পষ্ট এবার নজরে দিল্লি। আর দলীয় সূত্রের খবর রাজ্যের বাইরে সংগঠনের ভিত শক্ত করতে মমতা দায়িত্ব দিচ্ছেন অভিষেক-মুকুলের কাঁধেই। সেদিক থেকে মুকুল রাজ্যসভায় গেলে সেখান থেকে চালাতে পারবেন কাজ।
তৃণমূলের সংসদীয় রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন অনায়াসে। জাতীয় স্তরে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবেন ‘চাণক্য’। আর এই প্ল্যান বি এর জন্য মুকুলকে ছাড়তে হবে বিজেপি বিধায়কের পদ। তাতেও আখেরে মমতা সরকারেরই লাভ দেখছে রাজনৈতিক মহল। উপনির্বাচনের আগে পর্যন্ত রাজ্যে ফের কমবে বিজেপি বিধায়কের সংখ্যা।







