নজরবন্দি ব্যুরো: শনিবার কোলাঘাটে শুরু হয়েছে বিজেপির পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলন। যে কারণে রাজ্যে এসেছেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। কোলাঘাটের বৈঠকে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এই ভার্চুয়াল বক্তৃতা থেকে ফের একবার পঞ্চায়েত হিংসার প্রসঙ্গ টেনে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন তিনি। পাশাপাশি, গেরুয়া সূত্রে খবর, দলীয় কর্মীদের প্রধানমন্ত্রী আশ্বাসও দিয়েছেন যে পঞ্চায়েতে যা হয়েছে লোকসভায় তা হবে না।
আরও পড়ুন: যদি ছেলে প্রকৃতই দোষী হয় তাহলে শাস্তি হোক, জানালেন সৌরভের বাবা


জেপি নাড্ডা রাজ্যে এসেছেন তার প্রধান কারণ দুটো। এক, পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলন। দুই, লোকসভা নির্বাচনের নীল নকশা প্রস্তুত। সূত্রের খবর, আজকের বৈঠকে মোদী বলেছেন, “ভোটে জয়ের পরও তৃণমূল প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। রক্ত নিয়ে হোলি খেলা শুরু করেছে। লুঠ করে পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছে তৃণমূল। বিরোধীরা যাতে প্রার্থী দিতে না পারে তার জন্য একে তো তড়িঘড়ি ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। তার পরেও যাঁরা মনোনয়ন পেশ করেছেন, তাঁদের ধমকি দিয়েছে, যাতে তা প্রত্যাহার করে নেন। ভোটের দিন ব্যালট লুঠ করেছে। গণনার দিন বিজেপির কর্মীদের কাউন্টিং সেন্টারে বসতে দেয়নি। সেখান থেকে টেনে বের করে দিয়েছে। এত অত্যাচারের পরেও বাংলায় মানুষের আশীর্বাদে বিজেপি বহু আসনে জিতেছে”।
পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকে নিশানায় এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা নিজেরা কথায় কথায় ভোট লুঠের অভিযোগ করত, যারা নিজেদের গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন বলে দাবি করত, সেই তৃণমূলের লোকেদেরই টিভির পর্দায় ব্যালট বাক্স নিয়ে পালাতে দেখা গিয়েছে। ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। গুন্ডাদের বরাত দেওয়া হয়েছিল বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে। লোকসভা নির্বাচনে সেটা হবে না”।


রাজ্যের দুর্নীতি প্রসঙ্গেও মোদীর বয়ান, “বিজেপি কিংবা সাধারণ মানুষের কথা ছেড়েই দিলাম, এরা নিজেদের দলের কর্মীদেরও ছাড়ে না, তাঁদের কাছ থেকেও কাটমানি খায়।”








