থানার সামনে গিয়ে বসব বুঝবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস, পুলিশকে হুঁশিয়ারি বিধায়কের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ “ওসিকে বলো তোমাকে দালালি বন্ধ করতে বলছি, যদি ওসি থাকার ইচ্ছে থাকে বহরমপুরে। আর তা নাহলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তোমাকে বাধ্য করাবো এখান থেকে তাপ্পি গোটাতে”। থানার সামনে গিয়ে বসব বুঝবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস।  ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। এটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত জানালেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন মতুয়ারা, শান্তনু, সুব্রতদের জন্য দরজা খুলে দিলেন মমতা

১ জানুয়ারি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসের পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ভরতপুরের স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা নজরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের জন্য ওসির কাছে অনুমতি নিতে যান কিন্তু সেই সভার অনুমতি দেননি স্থানীয় ওসি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ওসির মন্তব্য, আগে থেকেই অনুমতি নেওয়া হয়েছিল তাই আলদা করে অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বেজায় খাপ্পা বিধায়কের মন্তব্য, “আমি বিধায়ক আমি এখানে শেষ কথা বলব। যতক্ষণ পর্যন্ত রাজ্য নেতৃত্ব যে কোনও ক্ষেত্রে আমাকে আলদা করে নির্দেশ না দেবে ততক্ষণ অবধি এই সমস্ত লোকের যারা দল বিরোধী কাজ করেছে, যারা প্রার্থীদের হারানোর চেষ্টা করেছে। তার প্রমাণ তো আমাদের কাছে আছে। তাহলে আমি প্রশাসনের কাছে কেন আপোষ করতে যাবো? টারজানকে ওসি ফোন করেছিল। আমি টারজানকে পরিষ্কার বলে দিয়েছি, ওসিকে বলো তোমাকে দালালি বন্ধ করতে বলছি, যদি ওসি থাকার ইচ্ছে থাকে বহরমপুরে। আর তা নাহলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তোমাকে বাধ্য করাবো এখান থেকে তাপ্পি গোটাতে। থানার সামনে গিয়ে বসব। টেবিলের ওপরে পা দিয়ে। তখন বুঝতে পারবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস”।

থানার সামনে গিয়ে বসব বুঝবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস, হুমায়ুনের হুমকি 

থানার সামনে গিয়ে বসব বুঝবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস, হুমায়ুনের হুমকি 
থানার সামনে গিয়ে বসব বুঝবে হুমায়ুন কবীর কি জিনিস, হুমায়ুনের হুমকি

তৃণমূল বিধায়কের এহেন মন্তব্যে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। সাংসদ আবু তাহের নজরবন্দিকে জানিয়েছেন, “ওটা হুমায়ুন কবীরের ব্যক্তিগত মন্তব্য। এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। এর আগেও উনি এধরনের মন্তব্য করেন। উনি দলকে পরোয়া না করেই একাধিক কাজ করেন। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই”।

কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দলটা পচে গেছে। রন্ধ্রে রন্ধ্রে পচন ধরে গেছে। রাজ্যের সবর্ত্র তৃণমূল নেতারা দলের নির্দেশ মানে না। সরকারের পরিচালিত থানা। আর শাসক দলের বিধায়করা এভাবে মন্তব্য করছেন। এই দলের যত তাড়াতাড়ি পতন হয় তত ভালো।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন