লাভ হলোনা ঝাড়ফুঁকে, চন্দনা বিরহে কৃষ্ণ এখন দেবদাস, ফের ভর্তি হাসপাতালে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ লাভ হলোনা ঝাড়ফুঁকে স্ত্রী রুম্পা হাজার চেষ্টা করলেও বিধায়িকার বিরহে অতিরিক্ত মদ্যপান করে ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কৃষ্ণ। গত দিন কয়েক ধরেই চর্চায় বিজেপি বিধায়কা চন্দনা বাউরি আর তাঁর গাড়ির চালক কৃষ্ণ।

আরও পড়ুনঃ কোভিড নেগেটিভ, অজানা জ্বরে যোগী রাজ্যে মৃত ৪৪, নির্দেশ তদন্তের

আচমকা এক সকালে খবর চাউর হয়েছিল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ড্রাইভার কে বিয়ে করেছেন বিজেপি বিধায়িকা। নিজে লাইভে এসে এই ঘটনাকে মিথ্যে বললেও কৃষ্ণর স্ত্রীর অভিযোগে চর্চাতেই থাকে গোটা ঘটনা।

চারপাশের ঘটনায় আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন কৃষ্ণ কুন্ডূ। ভর্তি হন হাসপাতালে। তার পরেই জানা যায়  চন্দনাকে বিয়ে করলেও স্বামীর সাথেই সংসার করতে চান রূম্পা দেবী। চন্দনাকে বিয়ে করেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন স্বামী। পাশাপাশি, সন্তানদের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন রুম্পাদেবী।

লাভ হলোনা ঝাড়ফুঁকে, জন্মাষ্টমীতেই অসুস্থ কৃষ্ণ। 

এদিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন পাগল হয়ে গিয়েছেন কৃষ্ণ। রূম্পা দেবীকে কার্যত জবাব দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই এখন ঝাড়ফুঁকে আস্থা রাখছেন তিনি।  চন্দনার ভুত মাথা থেকে নামাতে দিন কয়েক আগেই কৃষ্ণকে নিয়ে বর্ধমান জেলার পানাগড়ে একটি ঠাকুরবাড়িতে যান রুম্পা। তিনি বলেন,  ‘‘আমার মাথার ঠিক নেই। সারাক্ষণ চন্দনা-চন্দনা করছে। এখানে এসেছি। দেখি কী হয়।’’

তবে লাভ হলোনা ঝাড়ফুঁকে, সাম্প্রতিকতম ঘটনা তাই বলছে। জানা গিয়েছে চন্দনার বিরহে একেবারে কাতর হয়ে পড়েছেন কৃষ্ণ কুন্ডু, দিনরাত জপছেন এক নাম। সারাদিন দিন রাত ধরে মদ্যপানের ফলে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েছে তিনি। চিকিৎসার জন্য গতকালই ভর্তি করা হয়েছে, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে।

হাসপাতাল চত্বরেই রূম্পা দেবী জানিয়েছিলেন, ‘‌জন্মাষ্টমীর দিন সকাল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর স্বামী। অবস্থার অবনতি হতে থাকায় ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।’‌ একই সঙ্গে সমগ্র ঘটনার জন্য আঙুল তুলেছেন চন্দনার দিকেই। ক্ষুব্ধ রূম্পা দেবী জানা,  ‘‌আমার স্বামী পাগল হয়ে গিয়েছে। চন্দনাকে আনব, চন্দনাকে আনব বলছে। চন্দনা যদি ওকে ভালবেসে বিয়ে করে থাকে, তাহলে এতদিনে খোঁজখবর করত। জানি না, কী হবে।’‌

অন্যদিকে নিজের সঙ্গে চন্দনার এই দূরত্বকে পুরোপুরি রাজনৈতিক অভিসন্ধি বলেই মনে করছে কৃষ্ণ। তাঁর মতে,  ‌’‌রাজনৈতিক স্বার্থেই আমার আর চন্দনার মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা হচ্ছে। এর জন্য ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখার্জি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার দায়ী। দুর্নীতি করেছে ওঁরা। আমি এবার ওঁদের মুখোশ খুলে দেব।’‌

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন