উৎসবের শহরে এখনও অনশনে জুনিয়র ডাক্তাররা। আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের বিচার-সহ ১০ দফা দাবিতে অনড় তাঁরা। ইতিমধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো। এর মাঝেই শুক্রবার রাতে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে যোগ দিলেন আরও দুজন জুনিয়র ডাক্তার। জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট সূত্রে খবর, মাঝরাতে আরও দুই জুনিয়র ডাক্তার অনশনে যোগ দিয়েছেন।
তাঁরা হলেন, বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সের ইএনটি বিভাগের পিজিটি ডা. পরিচয় পান্ডা এবং ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের পিজিটি ডা. আলোলিকা ঘড়ুই। তবে এই সবের মধ্যে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।


তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সেটিং এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে বাঁচাতে ব্যাট করছে যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ। ঘটনা ঠিক কী? মীনাক্ষীর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অনশনরত ছাত্র অলোক বর্মার বাড়ি উত্তরপ্রদেশে।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আজ ওঁর বাড়িতে বাবা-মা কে ফোন করে ছেলেকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয়। নেত্রীর কথায়, ‘ভেবে দেখুন, সেটিং কোন পর্যায়ে! মমতা সরকারকে বাঁচাতে ব্যাট করছে যোগীর পুলিশ।’ যদিও মীনাক্ষীর সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।








