নজরবন্দি ব্যুরোঃ বানভাসি এলাকা পরিদর্শনে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিজিনের শুরু থেকেই এবার প্রচুর পরিমানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে বাংলায়। তা নিয়ে আগেও একবার আশঙ্কা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে এখনও জলমগ্ন রাজ্যের একাধিক এলাকা।
আরও পড়ুনঃ ডেরেকের পাপড়ি চাটে অ্যালার্জি! মাছের ঝোল খাওয়ার নিদান BJP’র
সপ্তাহ খানেক কেটে গেলেও হাওড়া-হুগলির একাধিক এলাকা এখন ডুবে জলের তলায়। জলের তলায় কমবশি ৮৫ টি গ্রাম। বন্যা পরিস্থিতিতে জলমঙ্গ এলাকায় বন্দী হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাজ্যবাসী।
বায়ুসেনার সাহায্য নিয়ে গতকাল উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু জনকে। কথা ছিল আজ আকাশ পথে এলাকা পরিদর্শন করবেন মমতা। পরিকল্পনা ছিল ডুমুরজোলা থেকে হেলিকপ্টারে করে বানভাসি এলাকা পরিদর্শন করে যাবেন খানাকুলে। সেখানে নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফের ফিরবেন হেলিকপ্টারে।
টানা বর্ষা বাংলায়, বানভাসি এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন মমতা।

বানভাসি এলাকায় নামবে না হেলিকপ্টার, শেষ মুহুর্তে খানাকুল গেলেন না মমতাতবে সূত্রের খবর শেষ মুহুর্তে বদল এসেছে রুটম্যাপে। জানা যাচ্ছে খানাকুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার নামার জন্য যে অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছিল এখনো জল জমে আছে তাতে। ফলত সম্ভব হচ্ছে না অবতরণের। তাই শেষ মুহুর্তে আকাশপথে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে উদয়নারায়নপুর পর্যন্ত গাড়িতে সরেজমিনে ঘুরে দেখবেন তিনি।

এদিকে বাংলার পরিস্থিতি জানতে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর জবাবে মমতা জানিয়েছেন এই বন্যা ম্যান মেড। দায়ী DVC। মমতার অভিযোগ পলি পরিষ্কার করে না তারা। উল্টে । ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়বে বলে ২ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, তার ওপরে টানা বর্ষা। সব মিলিয়ে বানভাসি বাংলা।



