নজরবন্দি ব্যুরো: আগলে রাখবেন নিজের কেন্দ্র, কয়েকদিন আগেই তিনি সভামঞ্চ থেকে বলেছিলেন, টানা ৫ দিন নন্দীগ্রামে থেকে পাহারা দেবেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা নন্দীগ্রামে লুঠ হতে পারে ভোট। আর সেই চিন্তাতেই ৫দিন থেকে ভোট করিয়ে তবেই ফিরবেন কলকাতায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর আরো জল গড়িয়েছে নন্দীগ্রামের মাটি দিয়ে। নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে আহত হওয়ার পর এতদিন পর্যন্ত হুইল চেয়ারে ঘুরছেন তিনি। দমে থাকবেন না বলেই জেদ নিয়ে করছেন নির্বাচনী প্রচার।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের দলীয় পতাকা খোলা নিয়ে উত্তপ্ত বরানগর, আহত পুলিশ অফিসার।
পায়ে প্লাস্টার নিয়ে আজ ১৮ দিন পরে ফের নন্দীগ্রামে ঢুকবেন তিনি। যদিও তার আগে নন্দীগ্রামের মাটি দিয়ে বয়ে গেছে জল, একাধিক শুভেন্দু মিছিলে তৃণমূলের তরফ থেকে হামলা চলেছে বলে অভিযোগ বিজেপির, তৃণমূল এমনকি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন বাইরের লোক মজুত করছেন অধিকারী, লাগাতার বিজেপির হতে তৃণমূল কর্মীদের আক্রমনের ঘটনায় গতকাল শেখ সুফিয়ানের নেতৃত্বে থানা ঘেরাও হয়েছে নন্দীগ্রামে, অন্যদিকে প্রথম দফার নির্বাচনের দিনই ফাঁস হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর অডিও ক্লিপ। তার পক্ষে বিপক্ষে ঝড় উঠেছে যুক্তির।
সব মিলিয়ে ফের নন্দীগ্রামে পদার্পণ হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর। তৃণমুল কংগ্রেস সূত্রের খবর আজ রবিবার, দল যাত্রার দিনেই নিজের কেন্দ্রে যাচ্ছেন তিনি। দুপুর ১.৩০টা নাগাদ নন্দীগ্রামের পাশে চণ্ডিপুরে সভা করবেন তিনি, প্রচার করবেন প্রার্থী সোহমের হয়ে, তারপরই বিকেলে যাবেন রেয়াপাড়া শিবমন্দির এলাকার দোলমেলায়, তার পর সভা করবেন বিরুলিয়াতে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে থেকেই ভোট করবেন তিনি। সেই মতো নন্দীগ্রামে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বাড়ি, তৈরি হয়েছে তাঁর কার্যালয়।
আগলে রাখবেন নিজের কেন্দ্র, কিন্তু গত ১০ই মার্চ বিরুলিয়া আহত হওয়ার পর হাসপাতালে থেকেছেন কদিন, তারপর প্লাস্টার পা নিয়েই দাপিয়ে বেড়িয়েছেন গোটা রাজ্য, ব্যাক টু ব্যাক সভা করেছেন গোটা জঙ্গল মহল জুড়ে। দোলের দিনে ফের নিজের কেন্দ্রে গিয়ে উঠবেন মুখ্যমন্ত্রী। সাজানো হচ্ছে তাঁর বাড়ির চারপাশ। উৎসুক পড়শীরা। সব বিতর্ক এবং কড়া হাতে ভোট লুঠ আটকাতে পাক্কা ১৮ দিন পর নিজের কেন্দ্রে ফের পদার্পণ করবেন তিনি।









