২৯ নয় সংখ্যাটা ৩৫, বাকি চক্রান্ত করে হারিয়েছে বিজেপি, বিস্ফোরক দাবি মমতার

বাংলায় এবার তৃণমূলের জয়জয়কার। ২৯টি আসন পেয়েছে তাঁরা। বিজেপি ১৮ থেকে নেমে এসেছে ১২-তে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

লোকসভায় ২৯ আসন জিতে রীতিমতো সকলকে চমকে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। কার্যত বাগরুদ্ধ বিরোধী শিবির। এমতাবস্থায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের দাবি, আসলে ২৯ নয় রাজ্যের ৩৫ আসনে জয় পেয়েছে তাঁর দল, বাকি আসনে চক্রান্ত করে হারিয়েছে বিজেপি! এমনকি নির্বাচন কমিশনের দিকেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: দেশ বিজেপিকে চায়নি, অগণতান্ত্রিকভাবে সরকার গড়ছেন মোদী! সাফ কথা মমতার

শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে লোকসভার ৪২ জন তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বও। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জোড়াফুল সুপ্রিমো। সেখানে তিনি ফের একবার নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার গঠনের সমালোচনা করলেন।

mamata chot ss24

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানালেন, বাংলার নবনির্বাচিত সাংসদরা কেউ পার্লামেন্টে বসে থাকার জন্য যাননি। তাঁরা প্রত্যেকেই জনবিরোধী বিলের বিরোধিতা করবেন। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েও আওয়াজ তুলবেন। তাছাড়া দলনেত্রীর সাফ কথা, এই মুহূর্তে রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে সর্বাধিক সাংসদের সংখ্যাটা তৃণমূলেরই, সেটা হল ৪২!

bjp 01

এবারের লোকসভায় বিজেপির বিপর্যয় স্পষ্ট। ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ময়দানে নেমে এনডিএ-এর রথ থেমে গেল মাত্র ২৯২ আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠিতাও পেল না বিজেপি। তাঁদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ২৪০। অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কামব্যাক করল কংগ্রেস। অন্যদিকে, বাংলায় এবার তৃণমূলের জয়জয়কার। ২৯টি আসন পেয়েছে তাঁরা। বিজেপি ১৮ থেকে নেমে এসেছে ১২-তে।

সামগ্রিকভাবে ‘ইন্ডিয়া’ জোট পেল ২৩২টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে এখন দিল্লিতে সরকার গড়তে দুই শরিকের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীকে। একজন, অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং অন্যজন বিহারের জনতা দলের সুপ্রিমো তথা সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

২৯ নয় সংখ্যাটা ৩৫, বাকি চক্রান্ত করে হারিয়েছে বিজেপি, বিস্ফোরক দাবি মমতার

tmc 2401

এই বিষয়ে মমতা বলেন, “দেশ পরিবর্তন চেয়েছিল। বিজেপিকে চায়নি। অগণতান্ত্রিকভাবে সরকার গড়তে চাইছেন মোদীবাবু! তাঁর উচিৎ অন্য কাউকে ছেড়ে দেওয়া। কিছুদিন সরকার চালাক। তারপর দেখা যাবে কি হয়!” সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, লোকসভায় দলনেতা থাকছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যসচেতক থাকছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেপুটি লিডার কাকলি ঘোষদস্তিদার। আর রাজ্যসভায় দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, উপদলনেতা সাগরিকা ঘোষ, নাদিম চিফ হুইপ।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন