নজরবন্দি ব্যুরোঃ এর আগে নেতাজী ইন্ডোরের দলীয় সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেষ্টকে বীরের সম্মান দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। সোমবার বিধানসভায় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখছিলেন, তখন কেষ্ট বীর কেষ্ট বীর বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। প্রেমেন্দ্র মিত্রের বীরপুরুষের মতো কেষ্ট, বিধানসভায় বিজেপিকে জবাব মমতার।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এই সরকার ক্রীতদাস নয়, স্বাধীনচেতা সরকার। জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার। চোরের মায়ের বড় গলা। চোরেরা যখন গেরুয়া সেজে বসে থাকে, তখন মনে হয় কী দেশ ছিল, কী দেশ হল। কেস্ট বীর পুরুষ অবশ্যই। বীরপুরুষ প্রেমেন্দ্র মিত্রের কবিতা।
এরপরেই তিনি বলেন, শুধু সব জায়গায় গিয়ে ভয় দেখান, দেখে নেবেন। ২০২৪ সালে একেবারে যাবেন। ডুবু ডুবু হচ্ছে দেশ। এই প্রস্তাবের কারণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। কারও বিরুদ্ধে বলা নয়। যাঁরা গেরুয়া পড়ে এসেছেন, তাঁদের বাড়ি রেইড হোক। টাকার পাহাড় বেরোবে।

এর আগে নেতাজী ইন্ডোরের কর্মীসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যতদিন কেষ্ট ফিরে না আসছে লড়াই আরও তিনগুণ বাড়বে। বীরের সম্মান দিয়ে ওকে জেল থেকে বের করে আনবেন। এই মানসিকতায় তৈরি থাকুন। বীরভূম জেলা হারতে জানে না। হারতে শেখেনি। মমতার সেই বার্তায় অনেকটা চাঙ্গা হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এখন বিধানসভায় অনুব্রতর কথা উল্লেখ করে ঘনিষ্ঠের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।
প্রেমেন্দ্র মিত্রের বীরপুরুষের মতো কেষ্ট! ফের মমতার মন্তব্যে অক্সিজেন পেলেন কেষ্ট

এদিন ইডি-সিবিআইয়ের অতিসক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ইডি ও সিবিআইয়ের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, নোবেল প্রাইজ কী উদ্ধার করতে পেরেছে আজ পর্যন্ত? নন্দীগ্রাম কেসে উদ্ধার করতে পেরেছে? নেতাই কেসে করতে পেরেছে? তাপসী মালিক কেসে উদ্ধার করতে পেরেছে? কারও যদি দোষ থাকে তাহলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আবেদন রাখছি সর্বসম্মতভাবে এই রেজোলিউশন পাস করুন।



