নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতি করেছে শুভেন্দু, এভাবেই পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় থেকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একটা জেলাকে দখল করে রেখেছে একটা পরিবার। তাঁর আক্ষেপ, আমিই বাড়িয়েছি ওদের। এখন হাজার হাজার কোটি টাকা হয়ে গিয়েছে। আর সেই সব টাকা রাখতে বিজেপির দ্বারস্থ হয়েছে অধিকারীরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নারায়ণগড় থেকে এদিন কার্যত শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতির কথা স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, হলদিয়া ডেভলপমেন্ট অথরিটি, দিঘা উন্নয়ন পর্ষদ থেকে শুরু করে একাধিক ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পদ। দব দিয়েছেন অধিকারীদের। কিন্তু তারাই ভোটের আগে গদ্দারি করল।


শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতি প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অধিকারীরা পূর্ব মেদিনীপুরে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক দূর্নীতি করেছে। সব রিপোর্ট পেয়েছেন তিনি। ভরসা করে ভুল করেছেন অধিকারীদের। তাঁর আক্ষেপ, আমিই বাড়িয়েছি ওদের! এরপরেই স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতে সুর চড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমিত শাহলে হোঁদল কুতকুত আখ্যাদিয়ে তিনি বলেন। অমিত শাহ একটা গুণ্ডা, তাঁর হাতে রক্ত লেগে আছে। বিজেপি তাঁকে ভয় দেখাচ্ছে কিন্তু তিনি বিজেপি কে ভয় পাননা বলে জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “৩৪ বছর ধরে সিপিএম আমাকে মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে। হাত ফাটিয়ে দিয়েছে, কোমর ফাটিয়ে দিয়েছে, মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে, সব ফাটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাঁকে দমাতে পারেনি সিপিএম। তাই অমিশ শাহরা যতই ভয় দেখাক। তিনি মোটেই ভয় পাননা বিজেপি কে। এদিকে আজ প্রথম দফার নির্বাচনের শুরুতেই রাজ্যবাসীদের উদ্দেশ্যে অবাধ ভোটদানের বার্তা দেন মমতা। তিনি ট্যুইটে লেখেন, ‘বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন’।
অন্যদিকে কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুরোধ করেন, ভোট দেওয়ার পর ভাল করে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট খতিয়ে দেখতে। যেখানে ভোট দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ, সেখানেই ভোট পড়ছে কি না, সেই বিষয়টা মাথায় রাখতে।











