নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুভেন্দু চেয়েছিলেন দলত্যাগ বিরোধী আইন আসুক বাংলায়,বারবার আওয়াজ উঠিয়েছিলেন মুকুল প্রসঙ্গে। গেরুয়া শিবিরের হয়ে ভোট জিতে মুকুল কেনো তৃণমূলে, কেনই বা তৃণমূলে গিয়েও খাতায় কলমে রয়ে গিয়েছেন বিজেপির বিধায়ক হিসেবে এসব নিয়েই গত কয়েকদিনে জোর সওয়াল করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।
আরও পড়ুনঃ BJP নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, ১০০ কৃষকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা!
তখনই অনেকে বলেছিলেন দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু হলে তা আগে যাক শিশিরের কাছে। মুকুল রায় নিজেও বলেছিলেন শুরু হোক বাবাকে দিয়ে। কারণ মুকুলের আগে একই ঘটোনা ঘটিয়েছেন শিশির অধিকারী। ছেলের পাশে থাকতে নির্বাচনের আগেই গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির সভায়। কিন্তু এতদিনেও ছাড়েননি তৃণমূলের সাংসদ পদ। সামাজিক মাধ্যমে দিন কয়েক খুব ট্রোলড হয়েছিল তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারীর ছবি দেওয়া ‘বাবাকে বলো’ স্লোগান, তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন আরেক ছেলে দিব্যেন্দু।
শুভেন্দু চেয়েছিলেন দলত্যাগ বিরোধী আইন আসুক, তার চিঠিই গেল নিজের ঘরে।

শুভেন্দু চেয়েছিলেন দলত্যাগ বিরোধী আইন আসুক বাংলায়, আগামী কাল সেই নিয়ে মুকুল ইস্যুতে শুনানি হবে স্পিকারের ঘরে, তবে তার আগেই এবার সেই দলত্যাগ বিরোধী আইনের চিঠি গেলো তারই ঘরে। সঙ্গে চিঠি গিয়েছে সুনীল মন্ডলের কাছেও। দলত্যাগ বিরোধী আইনে কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে চিঠি পাঠিয়েছে লোকসভার সচিবালয়।
শিশির অধিকারীর মতোই এখনো সুনীল আছেন এক দলে, পদ অন্য দলের। দুই সাংসদকে নিয়ে এর আগেও লোকসভার স্পিকারের কাছে দরবার করেছে ঘাসফুল শিবির। একই সঙ্গে চিঠি গিয়েছে অন্য রাজ্যে, অন্ধ্রপ্রদেশের সাংসদ কে রঘু রাম কৃষ্ণম রাজুর কাছেও। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লোকসভায়র সচিবের কাছে জবাব দিতে হবে তিনজনকেই। যদিও এক সংবাদ মাধ্যমকে সিনিয়র অধিকারী জানিয়েছেন এখনো হাতে পাননি তিনি কোন চিঠি।



