খুন না আত্মহত্যা! রেল লাইনে ধারে মিলল কুমারস্বামীর ঘনিষ্ঠর দেহ, শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: খুন না আত্মহত্যা! এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল কর্ণাটক। রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল কর্ণাটকের বিধান পরিষদের ডেপুটি স্পিকারের দেহ। মৃতের নাম এস এল ধর্মে গৌড়া। এছাড়া মৃতদেহের পাশ থেকেই উদ্ধার হয়েছে সুইসাইড নোটও। অনুমান করা হয়েছে যে তিনি আত্মঘাতী হয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে ঘিরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির বৈঠক, সেই হোটেল থেকেই বেরিয়ে এলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, বাড়ল জল্পনা

সূত্রের খবর, মধ্য কর্ণাটকের পাহাড়ি এলাকায় নিজের বাড়ির কাছেই সোমবার রাত দুটো নাগাদ উদ্ধার হয় জেডিএস নেতার দেহ। গৌড়ার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। কর্ণাটকের রাজনীতিতে খুব বেশি নামডাক ছিল না ধর্মে গৌড়ার। কিন্তু কয়েকদিন আগেই বেআইনি ভাবে বিধান পরিষদের অধিবেশন ডাকার অভিযোগে তাঁকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। আর এর পর থেকেই তিনি চর্চায় ছিলেন। তার পরেই এই ঘটনায় আত্মহত্যার কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও যথেষ্ট ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা গিয়েছিল টেনেহিঁচড়ে তাঁকে অধ্যক্ষের চেয়ার থেকে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, বিজেপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান প্রতাপ চন্দ্র শেট্টিকে সরানোর চেষ্টা করছেন। এদিকে বিধান পরিষদের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিজেপি। যদিও এখনও ভোটাভুটি বাকি রয়েছে। এস এল গৌড়াকে হেনস্থার অভিযোগে কয়েকজন কংগ্রেস সদস্যকে বহিষ্কারের দাবিতে সরব হয়েছিল বিজেপি। অধ্যক্ষেরও অপসারণ চেয়েছিল তারা।

এই পরিস্থিতিতে ধর্মে গৌড়ার মৃত্যু কর্ণাটকের রাজনীতিতে ঝড় তুলবে তা ধরেই নেওয়া যায়। এই ঘটনায় বেশ চাপে পড়েছে কংগ্রেস শিবিরও। প্রয়াত ধর্মে গৌড়ার ভাই এসএল ভোজে গৌড়াও বিধান পরিষদের সদস্য। তিনি কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত।

খুন না আত্মহত্যা! অন্যদিকে এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর প্রধান এইচ ডি দেবেগৌড়া। তিনি বলেন, “এই খবর শুনে আমি খুব আঘাত পেয়েছি। তিনি অত্যন্ত সজ্জন ও ঠান্ডা মাথার মানুষ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজ্য ও দলের খুব বড় ক্ষতি হয়েছে। ভগবান তাঁর পরিবারের পাশে থাকুক।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন