নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিসেম্বরেই রয়েছে হাওড়া এবং কলকাতার পুরভোট। কিন্তু পুরভোটে ভাঙছে বামফ্রন্ট। বৃহত্তর বামফ্রন্টের পরিবর্তে আলাদা করে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সমস্ত শরিক দলগুলির। চিন্তা বাড়ছে আলিমুদ্দিনের।
যে কোনও ইস্যুতে একজোটে সরব হয়ে রাজপথে নেমেছেন ১৬ থেকে ১৮ টি বাম দল। কিন্তু নির্বাচনের আগে তা ভেস্তে গিয়েছে প্রত্যেকবারেই ভেস্তে গিয়েছে বৃহত্তর বামফ্রন্ট গঠনের পরিকল্পনা। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়েছিল বেশ কয়েকটি বাম সংগঠন। যদিও সেই তালিকায় ছিল না সিপিআই(এম এল)। সেই নির্বাচনে সারা রাজ্যে বিপর্যয় হয়েছিল বামেদের।
আরও পড়ুনঃ বিজেপির টিকিট মূল্য এক লক্ষ, তৃণমূলের চক্রান্ত পাল্টা দাবি সুকান্তর
নির্বাচনের মুল্যায়ণে নেমে বাম নেতারা দেখলেন কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটের পক্ষে সায় দেননি নীচু তলার কর্মীরা। এবিষয়ে দলের অন্দরেই ক্ষোভ উগরে দেন অনেকেই। এমনকি প্রকাশ্যে বাম ফ্রন্টের অন্যতম শরিক ফরোয়ার্ড ব্লক জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে জোট করা হলে কোনও মতেই তাঁরা সায় দেবেন না।
উপনির্বাচনে আইএসএফ এবং কংগ্রেসকে ছাড়াই প্রার্থী দেওয়ার কথা করে বামেরা। নদীয়ার শান্তিপুর এবং উত্তর ২৪ পরগণার খড়দাহ আসনে বাড়ে ভোট শতাংশ। কিন্তু পুরভোটের আগে জোট নিয়ে জট পাকাতে শুরু করেছে বাম দলগুলি। আগে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে হাওড়া এবং কলকাতা পুরসভার বাছাই করা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। পুরভোট নিয়ে এখনও কোনও সংকেত দেননি অধীর চৌধুরীরা। টু শব্দটি করছেন না বামফ্রন্ট নেতৃত্ব।
পুরভোটে ভাঙছে বামফ্রন্ট, কী বলছেন নেতৃত্বরা

যদিও এবিষয়ে সিপি(আই)এমের পলিটবুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম জানিয়েছেন, “এধরনের কোনও কথা উঠতেই পারে। বামফ্রন্টের এখনও কোনও বৈঠক হয়নি। বৈঠক হলেই জানিয়ে দেওয়া হবে”।



