রাজনৈতিক জীবনে ইতি টানছেন ঘাটালের তারকা সাংসদ দেব? বৃহস্পতিবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই জানালেন, সংসদে আজ আমার শেষ দিন। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কথা বলেন। বিগত কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছে, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন দেব (Dev’s last day in Perliament), রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেবেন। এদিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেই জল্পনা আরও জোরালো হচ্ছে। তবে কি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা? সংসদে দাঁড়িয়ে কী বললেন তারকা-সাংসদ?



আরও পড়ুন: রাজ্য বাজেটে একের পর এক চমক, মাধ্যমিক পাশের পর স্কুলে ভর্তি হলেই মিলবে স্মার্টফোন!
এদিন সংসদে বক্তৃতা রাখেন দীপক অধিকারী ওরফে দেব (Actor-TMC MP Dev)। তিনি বলেন, ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে প্রথমদিন বলেছিলাম। আজ আমার শেষ দিন সংসদে, আজও বলতে চাইছি যে, ১৯৫০ থেকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মানুষের অনেকদিনের কষ্ট, অনেক দিনের বেদনা। আমি আপনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন জানাতে চাই, এটা তৃণমূল (TMC) বা বিজেপির (BJP) সমস্যা নয়, এটা বাংলার সমস্যা। আমার মনে হয় এখানে দলকে সাইডে রেখে মানুষের কথা ভেবে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan) কার্যকর করা হয়।’



দেব আরও বলেন, ‘ঘাটালের মানুষের স্বপ্ন যেন সত্যি হয়। আমি সাংসদ হিসেবে থাকি বা না থাকি, ঘাটালের মানুষ যেন ভালো থাকে।’ সংসদে নিজের বক্তৃতা শেষ করার সময় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমাকে দশ বছর সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ঘাটালের মানুষ যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন কিংবা ভোট দেননি, তাঁদেরকেও ধন্যবাদ। আমি সাংসদ থাকি কিংবা না থাকি, ঘাটাল আমার মনের মধ্যে সারাজীবন থাকবে।’
View this post on Instagram
‘সংসদে আমার শেষ দিন…’, ১০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ইতি টানলেন দেব?

চলতি মাসের শুরুতেই তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন দেব। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে সংসদ থেকে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা।’ সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন, রাজনীতি থেকেই নিজেকে দূরে সরিয়ে নেবেন, দেবের পরবর্তী পদক্ষেপ ঘিরে নানা জল্পনা চলছে। এরইমধ্যে একটি অডিও ক্লিপ (নজরবন্দি সত্যতা যাচাই করেনি) ভাইরাল হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে, কাটমানি চেয়েছেন দেব। এনিয়ে দেবের ভাই বিক্রম অধিকারী দাবি করেছেন, ‘দাদা কখনও কারও কাছ থেকে এক পয়সা কাটমানি নেননি। বরং দাদার নাম করে অনেকে কাটমানি নিত।









