নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় আতসকাচের তলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও। এবার লালবাজারে তলব করা হল ডিন অফ অফ স্টুডেন্টস রজত রায় ও রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে। বুধবার দুপুর ৩টেয় জয়েন্ট সিপি ক্রাইম তাঁদের লালবাজারে ডেকে পাঠিয়েছেন।
আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশে যাদবপুরের নিহত ছাত্রের বাড়িতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল
গত ৯ আগস্ট রাতে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। তারপর থেকে তদন্তে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হবে বলেই আশাপ্রকাশ করেছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। ইতিমধ্যেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন ৭ জন। ধৃতদের মধ্যে ৩ জন বর্তমান ও ৩ জন প্রাক্তন পড়ুয়া।

ঘটনার পরই হস্টেল ছেড়েছিলেন ধৃতরা। বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইউজিসি-র নির্দেশিকায় থাকলেও হস্টেল ও ক্যাম্পাসে কেন নেই সিসি ক্যামেরা? মেন হস্টেলে অন্তত ২০ জন প্রাক্তনী থাকতেন, এই অনিয়মে কেন উদাসীন ছিল কর্তৃপক্ষ? বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল কি বিনা পয়সার গেস্ট হাউস?

বহিরাগতদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার ক্ষেত্রে কেন নেই কড়াকড়ি? এই সব প্রশ্ন নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শীর্ষ কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। অপরদিকে যাদবপুর পড়ুয়ার মৃত্যু তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছে কমিশন।
যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় এবার ডিন অফ স্টুডেন্টস ও রেজিস্ট্রারকে তলব করল লালবাজার

ওই মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে যাওয়ার পর রাজ্য কমিশন জানিয়েছে,’যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল যাদবপুরের পড়ুয়াকে। পরিবার জানিয়েছে, গায়ে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছিল। নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছিল পড়ুয়াকে। সমকামী বলে দাবি করে একাধিকবার হেনস্থা করা হয়েছিল।



