রাজ্যের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বাড়ল টাকার অঙ্ক, আর তাতেই স্বস্তির হাসি বহু মহিলার মুখে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী ভাতা বেড়ে সাধারণ শ্রেণির জন্য ১৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের জন্য ১৭০০ টাকা করা হয়েছে। তবে ভাতা বাড়লেও আবেদন পদ্ধতিতে কী বদল হল—সেই প্রশ্নেই এখন কৌতূহল বেশি।
রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পে ২৫ বছর থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা ভাতা পান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ শ্রেণির মহিলারা মাসে ১৫০০ টাকা এবং এসসি ও এসটি শ্রেণির মহিলারা ১৭০০ টাকা করে পাবেন। তবে এখনও অনেক মহিলা আবেদন পদ্ধতি ঠিকমতো না জানার কারণে এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বার আবেদন প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট শিবির বা ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের উপর নির্ভর করতে হত। এখন সারা বছরই ব্লক প্রশাসনিক দফতরে গিয়ে আবেদন সংক্রান্ত সহযোগিতা পাওয়া যাবে। সেখানেই ফর্ম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদনের পদ্ধতি কী?
প্রথমে ব্লক অফিস, দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। আধার কার্ডে থাকা তথ্য অনুযায়ী ফর্ম পূরণ করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথির জেরক্স কপি ফর্মের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
যে নথিগুলি লাগবে:
-
আধার কার্ড
-
ব্যাঙ্ক পাসবুক
-
রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি
-
মোবাইল নম্বর
-
(এসসি/এসটি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে) জাতির শংসাপত্র
আগে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাধ্যতামূলক থাকলেও এখন তা আর আবশ্যিক নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজেশ পাল জানিয়েছেন, সারা বছরই ব্লক প্রশাসনিক ভবনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা নেওয়া হয়। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কোনও মহিলা যাতে বঞ্চিত না হন, তার জন্য বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নেওয়া হচ্ছে।



