নজরবন্দি ব্যুরোঃ কুন্তল ঘোষের যোগাযোগ রয়েছে আরও ওপরে। শনিবার তৃণমূল নেতার গ্রেফতারির পর এমনটাই দাবি করলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, টাকা ফেরতের জন্য কুন্তলকে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিল কুন্তল।
আরও পড়ুনঃ Mithun Chakraborty: দিল্লির নেতারা সবুজ সংকেত দিলেই যোগদান শুরু হবে, বিস্ফোরক মিঠুন
এরপরেই হুগলী জেলার যুব তৃণমূলের নেতার সম্পর্কে বোমা ফাটালেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। তিনি বলেন, মানিক ভট্টাচার্য কুন্তলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথা অস্বীকার করেছেন। অর্থাৎ, কুন্তলের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে আরও ওপরের স্তরের নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। তাপস মণ্ডলের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ালেও স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি তিনি।

অন্যদিকে, কুন্তলের দাবি তাপস মণ্ডল তাঁর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা কুন্তল দিতে রাজি না হওয়ার কারণেই তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তাপস অবশ্য জানিয়েছেন, চাকরি প্রার্থীরা তাঁর অফিসে টাকা দিয়ে যেত। সেই টাকা তাঁর নির্দেশে কুন্তলের কাছে পাঠানো হত। তাপস দাবি করেছেন, টাকা সে নেয়নি। তাঁর কথাতেই টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।
এদিন আদালতে পেশ করা হয় কুন্তলকে। সেখানে ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩০ কোটি টাকা তুলেছিলেন কুন্তল। ২০২৬ সাল থেকে এই কাজ শুরু করেছিল কুন্তল। কুন্তলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কালো ডায়েরিতে সেই লেনএনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইডির আইনজীবীর বক্তব্য, প্রথমে ভারত মহাসাগর মনে করা হলেও দুর্নীতির বহর প্রশান্ত মহাসাগরের মতো।
কুন্তল ঘোষের যোগাযোগ রয়েছে আরও ওপরে, জল্পনা বাড়ালেন তাপস

ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ডিএলএডে ভর্তি ছাড়াও, উচ্চ প্রাথমিক, নবম – দশম, একাদশ – দ্বাদশ, গ্রুপ ডি ও গ্রুপ সি নিয়োগেও টাকা নিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। আর কারোর কাছ থেকে টাকা পেয়েছেন কি না, সেই টাকার বাগ আর কেউ নিয়েছেন কিনা সবটা খতিয়ে দেখার জন্য আগামী ১৪ দিনের হেফাজতে চাইছে ইডি।



