নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের সংগঠন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। জেলায় সংগঠন দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। ঠিক তার এক মাসের মাথায় কাঁথিতে অভিষেকের সভা রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। কিন্তু কুণালের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে এই পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই?
আরও পড়ুনঃ অভিযোগের তালিকা নিয়ে বোস সাক্ষাতে শুভেন্দু-সুকান্ত, ধনকড়ের মতো চাই তৎপরতা!
অধিকারী গড়েই লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন কুণাল? এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন নিজেই। বুধবার কুণাল ঘোষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে দাঁড়াতে আসিনি। দলনেত্রীর নির্দেশে জনসংযোগে এখানে এসেছেন তিনি। তৃণমূল মুখপাত্রের কথায়, তৃণমূলে কোন পর্যবেক্ষক নেই। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দুটি লোকসভা রয়েছে। সেখানে দাঁড়াতে এখানে আসেনি।

নেত্রীর নির্দেশ মেনে নেতাদের সমন্বয় সাধন করতে পূর্ব মেদিনীপুরে বেশি সময় দিচ্ছি। একইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী দিনে মোদিজিকে দুটি লোকসভা উপহার দেবেন। এপ্রসঙ্গে কুণাল বলেন, শুভেন্দু অধিকারী নিজের ওয়ার্ড ও কাঁথি পুরসভা জিততে পারে না৷ সে আবার দুটি লোকসভা জেতার কথায় ভাবছে। শুভেন্দু একটা ফুটো গ্যাস বেলুন৷ শুভেন্দু সম্পর্কে কুণাল আরও বলেন, শুভেন্দুর জনসভায় লোক হচ্ছে না।

লোক আনার জন্য জনসভায় আবাস যোজনা ফ্রম ফিলাপ করা হচ্ছে। এতবার দিল্লি যাচ্ছেন। আসানসোলে যাওয়ার সময় হচ্ছে না। হিম্মত থাকলে ঝাড়গ্রামের বীরবাহা হাঁসদার সামনে গিয়ে দাঁড়ান৷ উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই কাঁথির শান্তিকুঞ্জের সঙ্গে তৃণমূলের তিক্ততা বেড়েছিল।
অধিকারী গড়েই লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন কুণাল? জবাব দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র

খাতায় কলমে অধিকারী পরিবারের দুই সদস্য তৃণমূলের হলেও তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনবরত। তবে কি ওই দুই আসনে বিশেষ জোর দিতে চায় তৃণমূল? সেকারণেই আগে থেকেই কুণালকে পাঠিয়ে নোনা মাটির জল-হাওয়া বোঝার সুযোগ করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো? প্রশ্ন উঠছে এখন থেকেই।



