নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা নির্বাচনের মতো পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পূর্ব মেদিনীপুরে বিশেষ নজর দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। আগামী ৩ ডিসেম্বর প্রচারে আসছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একমাস আগে থেকে অভিষেকের সভার জন্য প্রস্তুতি সারছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। নির্বাচনের আগে মহিলা ভোটের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলে বিশেষ টোটকা দিলেন তৃণমূল নেতা। তাঁর কথায়, মহিলা ভোটের প্রচার শুরু হোক শান্তিকুঞ্জ থেকেই।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: কেষ্টর গড়ে প্রচারে ফাটাকেষ্ট, অসাধ্য সাধন করতে পারবে বিজেপি?


কুণাল ঘোষের কথায়, যাঁরা তৃণমূলকে ভোট দেননি, তাঁদের থেকে দূরে যাবেন না। তাঁদের বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলুন। মহিলারা বেশি করে দায়িত্ব নিন। কারণ, বাড়ির ভিতর ঢুকে ওদের ভোটটা বের করে আনতে হবে। দিব্যেন্দু অধিকারীর বউকে দিয়ে শুরু করুন। কুণালের এহেন মন্তব্য আসলে শান্তিকুঞ্জের উদ্দেশ্যেই ছিল। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রসঙ্গত, কাঁঠিতে সভার পর চা চক্রের জন্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চা পানের জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দিব্যেন্দু। পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কের তিক্ততা চরমে পৌঁছানোর মধ্যেই শান্তিকুঞ্জের সদস্যের আমন্ত্রণ দেখে চমকে গিয়েছিল রাজনৈতিক মহল। যদিও এটাকে প্রতীকী কথাই বলছে তৃণমূল।
তৃণমূলের আরজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের কথায়, মহিলাদের জন্য সরকার যে সমস্ত প্রকল্প চালু করেছে, সেগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা প্রয়োজন। সমস্ত স্তরের তৃণমূল কর্মীদের কাছে গিয়ে প্রচারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর, কথায়, আমি যেটুকু শুনেছি দিব্যেন্দুর স্ত্রী অত্যন্ত যুক্তিসম্মত কথাবার্তা শোনেন। তিনিও তো একজন সাংসদের স্ত্রী। শিশিরবাবুর স্ত্রীও একজন সাংসদের স্ত্রী। দলের মহিলা সদস্যপ্রা তাঁদের সঙ্গে দেখা করে প্রকল্প নিয়ে বোঝাবেন।


মহিলা ভোটের প্রচার শুরু হোক শান্তিকুঞ্জ থেকেই, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল

কুণালের কথায়, শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের সুবিধে পাচ্ছেন কি না, তা জানতে মহল্লায় যেমন যাওয়া হবে, তেমনই জনপ্রতিনিধিদের বাড়িতেও যাওয়া হবে। এতে কী অন্যায় আছে? তাঁরা কেউ দলের পতাকা নিয়ে যাচ্ছেন না, প্রকল্পগুলি নিয়ে যাচ্ছেন।







