নজরবন্দি ব্যুরো: ধর্মতলায় বঙ্গবিজেপির বৃহৎ সমাবেশ ঘিরে বেশ জলঘোলা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই সভার আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় আসছেন আজ। এই শাহী সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে যখন উত্তেজনা সেইসময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছে আমজনতার মধ্যে। কারণ বিজেপির সমাবেশের জন্য রাস্তায় যানজটের সম্ভাবনা। এরফলে অনেকেরই গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাবে। যদিও পুলিশের তরফে পরিস্থিতি সামলানোর সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বুধবার সাগরে তৈরি হবে গভীর নিম্নচাপ, সপ্তাহান্তে হাওয়া বদলের সম্ভাবনা?

আজ, বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকেই ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে বিজেপির সভা শুরু হওয়ার কথা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা এই সভায় যোগ দেবেন। মনে করা হচ্ছে, সভার কারণে ব্যাপক যানজট হতে পারে মধ্য কলকাতায়। ভিড় সামলানোর জন্য ১০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হবে। এ ছাড়াও ট্র্যাফিক পুলিশ থাকবে। পদ্ম শিবিরের নির্দেশ, সভায় আসার সময় বাস যেখানে আটকে যাবে সেখান থেকেই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য হাঁটা পথ ধরবে বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। বিজেপির যে কর্মীরা শিয়ালদহ স্টেশনে নামবেন, তাঁরা মৌলালি-এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে আসবেন। হাওড়া স্টেশনে থেকে টি বোর্ড, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ হয়ে সভামঞ্চে আসতে হবে। ফলে ওই রাস্তা গুলিতে যানজটের সম্ভবনা রয়েছে।

জানা গিয়েছে, মঞ্চ এবং আশেপাশের এলাকাকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি জোনের দায়িত্বে রয়েছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক। এক জন যুগ্ম কমিশনারের অধীনে ছ’জন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) থাকবেন। পুলিশের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২১ জুলাই, শহীদ দিবসে তৃণমূল যে জায়গায় সভা করে সেখানেই বিজেপি সভা করার অনুমতি চেয়েছিল কলকাতা পুলিশের কাছে। পুলিশের অনুমতি না মিললে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। সিঙ্গেল বেঞ্চ অনুমতি দেয়। এরপর এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সভা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হবে, ডিভিশন বেঞ্চের কাছে এই দাবি তুলে ধরেছিল রাজ্য। যদিও সব যুক্তি উড়িয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বিজেপিকে ধর্মতলায় শাহী সভা করার অনুমতি দেয়।
শাহী সভা ঘিরে রাস্তায় প্রবল যানজটের সম্ভাবনা, ভোগান্তির আশঙ্কায় আমজনতা








