প্রয়াত বাম আমলের মন্ত্রী Kshiti Goswami-র ছোট মেয়ে Kasturi Goswami যোগ দিলেন বিজেপিতে। একদিকে দিদি বসুন্ধরা তৃণমূলের কাউন্সিলর, অন্যদিকে ছোট মেয়ে গেরুয়া শিবিরে—ভোটের মুখে এই রাজনৈতিক পালাবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠন শক্তিশালী করতে জোর দিচ্ছে বিজেপি। সেই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির এক যোগদান অনুষ্ঠানে কস্তুরী আনুষ্ঠানিকভাবে দলে নাম লেখান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি Samik Bhattacharya, বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari, সাংসদ Locket Chatterjee এবং নেতা Shankar Ghosh।


কস্তুরী আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর বাবা ক্ষিতি গোস্বামী ছিলেন আরএসপি-র প্রভাবশালী নেতা ও বাম সরকারের মন্ত্রী। তবে পরিবারে রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন ছিল বলেই জানা যায়। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর তাঁর স্ত্রী মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন হন। ২০১৯ সালে ক্ষিতি গোস্বামীর মৃত্যুর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বদল দেখা যায়।
২০২১ সালের কলকাতা পুরভোটের আগে সরকারি চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তাঁর বড় মেয়ে বসুন্ধরা গোস্বামী। পরে তিনি ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এবার ছোট মেয়ে কস্তুরী বিজেপিতে যোগ দিয়ে নিজের রাজনৈতিক ইনিংস শুরু করলেন।
এদিন বিজেপিতে আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিও যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন এনএসজি কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তী, প্রাক্তন সিআরপিএফ কর্তা বিপ্লব বিশ্বাস এবং শিল্পোদ্যোগী ডঃ অক্ষয় বিঞ্জেরকাও।


যোগদান অনুষ্ঠানের পর ‘আঁধারের কত কথা’ নামে একটি বই প্রকাশ করে বিজেপি। দলের দাবি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে নানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে সেই বইয়ে। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে বিজেপি।
সাংবাদিক বৈঠকের শেষপর্বে আত্মবিশ্বাসী সুরে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বা এসআইআর কিছু হোক বা না হোক, ইডি-সিবিআই অফিস বন্ধ করে দিলেও বিজেপি আসবে, তৃণমূল হারবে।”








