সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবু হয়ে গেল কামদুনি মামলার শুনানি। মঙ্গলবার সকালে শুনানি শুরু হয় শীর্ষ আদালতে। এদিন সব পক্ষকেই নোটিস দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের (Kamduni Case at Supreme Court) বিচারপতির বেঞ্চ। মৃত তরুণীর ভাই আলাদা এসএলপি করেন। এদিন সেই মামলার শুনানি হয়।



আরও পড়ুন: এবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভূমিকায় অনুপম, হিন্দি এই ছবির পরিচালক বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জি
গত অক্টোবর মাসে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) কামদুনি মামলায় রায় দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। দুই আসামীকে ফাঁসির সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত, কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের সাজ মকুব করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। ন্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয় কামদুনিকাণ্ডের (Kamduni Rape Case) দুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল। শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা। এদিন রাজ্য ও মুক্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকে হলফনামা আকারে জবাব তলব করা হয়েছে। হলফনামার পরই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় নির্যাতিতার ভাই ও পরিবার। আজ বিচারপতি বি আর গাভাই এবং সন্দীপ মেহতার এজলাসে মামলার শুনানি শুরু হয়। গত অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্টে প্রথম শুনানিতে কামদুনি মামলায় হাইকোর্টের রায়তে স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।


কামদুনিকাণ্ডে এখনই কাউকে গ্রেফতার নয়, অনির্দিষ্ট কালের জন্য মামলা মুলতুবি সুপ্রিম কোর্টে

২০১৩ সালের জুন মাসে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। কামদুনিতে তরুণীকে গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। ৬ অক্টোবর দুই আসামীর ফাঁসির সাজা রদ করা হয়। চারজনকে বেকসুর খালাস করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের পাশাপাশি রাজ্য সরকারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।








