নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবাস দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে জেলায় জেলায় শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত স্তরের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গেছে আম জনতাকে। এবার আবাস দুর্নীতিতে সমান দায়ী বিডিওরাও। যোজনায় যুক্ত সমস্ত আধিকারিকরা সমানভাবে ঠিক নয়। এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন হাওড়া শ্যামপুরের বিধায়ক কালীপদ মণ্ডল।
আরও পড়ুনঃ Partha-Arpita: জেলের ওয়ার্ডে থাকা খুবই কষ্টকর, শরীর ভালো নেই, আদালতে জানালেন পার্থ-অর্পিতা
তৃণমূল বিধায়কের কথায়, তিন তলার বাড়ির মালিককেও সরকারি আবাস যোজনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের কারণে এই বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে। কৈফিয়ত যদি দিতে হয়, তাহলে বিডিও দিন। তালিকা তো বিডিও তৈরি করেছে। আমাদের মধ্যেও সকলে সৎ নয়। কিছু সুযোগ সন্ধানী রয়েছে। এত বড় একটা বিরাট কর্মযজ্ঞ। আমরা কী সকলে সৎ হয়ে গেছি? আধিকারিকরা দলকে বিড়ম্বনায় ফেলার চেষ্টা করেনি? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক নামকরা আধিকরিক রয়েছেন। যারা সার্ভে করেছেন। কৈফিয়ত দিতে পারেননি। এমনকি শ্যামপুরেও এই ঘতনা ঘটেছে। বিডিওর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ডেপুটেশন যদি দিতে হয়, পঞ্চায়েতের কাছে না গিয়ে বিডিওর কাছে দিক। বিডিও কৈফিয়ত দিক। কেন তৃণমূল দলের ওপর দোষারোপ?
আবাস দুর্নীতিতে সমান দায়ী বিডিওরাও, সবাই সৎ নয়, দাবি বিধায়কের

এবিষয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানুতোর। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি ঠিক বলেছেন। সেই কারণে আমরা জেলায় জেলায় বিডিও অফিস ঘেরাও শুরু করেছি। বিডিওকে করিয়েছে কে? আসলে এটা তো হয়েছে বিডিও অফিসে। এখন সার্ভের সময় সেই তৃণমূলের নেতারা বলে দিচ্ছেন, কার নাম রাখতে হবে এবং কার নাম কাটতে হবে।



