নজরবন্দি ব্যুরোঃ দার্জিলিংয়ে রাজ্যপাল, দিল্লি সফর থেকে ফিরেই রওনা দিয়েছেন উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে। আচমকা এক ট্যুইটে রাজ্যবাসীকে জানান দিয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। একে একে দেখা করেছেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। ইস্যু সেই ভোট পরবর্তী হিংসা।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গভঙ্গ সুরেই ভাঙছে সংগঠন, ২৯ এর বিজেপি বৈঠকে উঠতে পারে ঝড়
দিল্লি সফর থেকে ফিরে এসেই পরিস্থতি খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন তিনি। যাওয়ার প্রথম দিনেই কালোপতাকা থেকে বিক্ষোভের মুখে পড়লেও থামেনি সফর। আজ বৈঠক করছেন দার্জিলিংয়ে। আর সেখানেই রাজ্যপালের কাছে ভোট পরবর্তী হিংসার রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের হয়ে দরবার করলেন বিজেপি সাংসদ জন বার্লা।
২রা মে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসাকেই হাতিয়ার করেছে টিম বঙ্গ বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী সলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে বিউজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ একাধিক বার সুড় চড়িয়েছেন এই বিষয়ে। ভোট পরবর্তী হিংসাকে মুদ্দা বানিয়ে রাজ্য সকারের কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন্নখোড রাজ্যপাল। গের্যা শিবিরের নেতারা রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে বারবার নিদান দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার।
এবার সেই পথেই হাঁটেলন বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। এতদিন বাংলা থেকে উত্তরবঙ্গকে পৃথক করার দাবী তুলে একপ্রকার চর্চার শিরোনামে তিনি। সেসবের মাঝেই আজ ভোট পরবর্তী হিংসার নালিশ জানাতে সাক্ষাৎ করেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে। ভোট পরবর্তী হিংসা, অত্যাচারে বহু মানুষ রাজ্যছাড়া, বিজেপির তরফ থেকে এর আগেও এই অভিযোগ উঠেছে বারবার।
দার্জিলিংয়ে জন-জগদীপ সাক্ষাৎ, আজ রাজ্যপাল সাক্ষাতে জন বার্লা জানান, অসম-বাংলা সীমানার কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য ও কুমারগ্রামের একজন জেলা পরিষদ সদস্য তাঁর পুরো পরিবার অর্থাৎ স্ত্রী, সন্তান সহ তাঁর জলপাইগুড়ির লক্ষ্মীপাড়া চাবাগানের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, কুমারগ্রামের তৃণমূল নেতারা জোর করে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিছিল তাঁদের। সেখান থেকে বাঁচতেই তাঁরা সকলেই আশ্রয় নিয়েছেন তাঁর বাড়িতে। রাজ্য জুড়ে জারি এই পরিস্থিতি। সমাধান নির্নয়ে আজ জন-জগদীপ সাক্ষাৎ ঘটেছে দার্জিলিংয়ে।



