নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করছেন ২০-২৫ লাখে, জমি দখল করার অভিযোগ আগেই উঠেছিল, অভিযোগ ছিল সরকারের জমিতে বহুতল নির্মানে হাত আছে বিজেপি সাংসদ, মন্ত্রীর। এবার নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। শুরু হয়েছে তদন্ত। সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই ওই জমি ‘দুর্নীতি’ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য পঞ্চায়েতের অভিনব উদ্যোগ, করোনা কালে ঘরেই মিলবে পুরীর প্রসাদ


তৃণমূলের অভিযোগ চামুর্চিতে যে বহুতল তৈরি হচ্ছে এবং ২০-২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হছে সেই বহুতল নির্মানের পেছনে রয়েছে বার্লার হাত। সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করছেন ২০-২৫ লাখে। এর আগেই জমি দখল করার অভিযোগ আগেই যখন উঠেছিল, তখন তা চাপের মুখে পড় অস্বীকার করতে পারেননি।
সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করছেন বার্লা, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে ওই জায়গার স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

উলটে তৃণমূলের বিরুদ্ধেও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছিলেন। সঙ্গে আরও যোগ করেছিলেন, সরকারি জমিতে যে বাড়ি তৈরি হয়েছে, সেখানে কমিউনিটি সেন্টার বানানো হবে, মহিলাদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। তবে এবার সেসব একাপাশে সরিয়ে সরকারি জমি অধিগ্রহণের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।
সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করছেন ২০-২৫ লাখে, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে ওই জায়গার স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এতদিন ধরে সংবাদে শিরনামেই ছিলেন বার্লা। আচমকা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবী করে বসেছিলেন তিনি। সেই নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি রাজ্য রাজনীতিতে। গেরুয়া শিবিরের ভেতরই দু’ভাগ হয়েছিল এই মন্তব্যকে নিয়ে। সেই রেশ মেটেনি এখনো, তার মধ্যেই ফের আলোচনার কেন্দ্রে তিনি।









