নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবারও রাষ্ট্রসংঘে ভোটদানে বিরত থাকল ভারত। ইউক্রেন যুদ্ধে মানবধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে মস্কোর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়। ভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে ৩২টি ভোট পড়ে। ফলে এবার মস্কোর বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করতে চলেছে নিরাপত্তা পরিষদ।
আরও পড়ুনঃ মোদির আবেদনে সাড়া পুতিনের, ইউক্রেনের দুটি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি রাশিয়ার।
একইসঙ্গে বেলারুশ সীমান্তে মস্কো এবং কিয়েভের শান্তি আলোচনাকেও স্বাগত জানিয়েছে ভারত। এদিন জরুরি ভিত্তিতে বিরল পরিস্থিতিতে একটি বৈঠক ডাকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ১৯৫০ সাল থেকে অর্থাৎ রাষ্ট্রসংঘ তৈরি হওয়ার পর এটি ছিল একাদশতম জরুরি পরিস্থিতিতে ডাকা বৈঠক । এই প্রথম নয়, শনিবার সকালেও রাষ্ট্রসংঘে হওয়া ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি ভারত। ওই দিন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনে আমেরিকা।
ওই প্রস্তাবকে সমর্থন করে ১১টি দেশ। তবে ভারত ওই ভোটে অংশ নেবে না, তা জানিয়ে দেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতীয় প্রতিনিধি তিরুমূর্তি। ভারতের পাশাপাশি চিন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী সেই ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ UN Security Council -এর ১৫ সদস্যের মধ্যে ১১টি ভোট রাশিয়ার বিপক্ষে যায়। তবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করায় নাকচ হয়ে যায় ওই প্রস্তাব।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক স্তরের স্বাধীন ভাবে গঠিত একটি কমিশনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের কাজ দিতে পারে মানবাধিকার পরিষদ। যদিও এখনও পর্যন্ত সেই কমিশন গঠন করা হয়নি। ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদে অন্তত ৩২টি সদস্য দেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
রাষ্ট্রসংঘে ফের ভোট দিল না ভারত, তবে শান্তি আলোচনাকে স্বাগত
বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে রাশিয়া এবং ইরিট্রিয়া। ভোটদানে বিরত থেকেছে ভারত এবং চিন-সহ ১৩টি দেশ। ভোটাভুটির পর ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রসংঘে জানান, যাঁরা পক্ষে ভোট দিয়েছেন তাঁদের ধন্যবাদ।



