যুদ্ধের মাঝেও তেল-গ্যাসের দাম বাড়বে না! দেশবাসীকে বড় আশ্বাস মোদি সরকারের

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়তে দেওয়া হবে না—এমনই ইঙ্গিত কেন্দ্রের। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়লেও আপাতত ভারতীয়দের জন্য স্বস্তির বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে জানা যাচ্ছে, কোনও পরিস্থিতিতেই দেশের বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়তে দেওয়া হবে না—এই লক্ষ্যেই সক্রিয় হয়েছে নয়াদিল্লি।

ইরানকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হওয়া সংঘাতের আবহে গত কয়েক দিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল—তেল-গ্যাসের দাম কি হঠাৎ বাড়বে? মজুত পেট্রোপণ্যে কি টান পড়বে? কালোবাজারির আশঙ্কা কি বাড়বে? এই সব উদ্বেগের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আশ্বাসের ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারি সূত্রের খবর, দেশের বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতেই বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে মোদি সরকার।

যদিও পেট্রোল, ডিজেল বা গ্যাসের দাম নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের সূত্রে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে একাধিক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নয়াদিল্লি।

সরকারি সূত্রের দাবি, ভারতের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন জ্বালানি উৎপাদক দেশের সঙ্গে লাগাতার আলোচনা চলছে। তেল এবং অন্যান্য শক্তিসম্পদের সরবরাহ বজায় রাখার বিষয়টি এখন কেন্দ্রের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা সামনে এসেছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের জন্য বিশেষ ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা। ফলে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির সুযোগ তৈরি হয়েছে ভারতের জন্য।

কেন্দ্রের মতে, এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ফলে আপাতত দেশের তেল আমদানি বা জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই যুদ্ধের আবহেও সাধারণ মানুষের উপর জ্বালানির অতিরিক্ত চাপ পড়বে না বলেই মনে করছে কেন্দ্র।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন