নজরবন্দি ব্যুরোঃ যেখানে যেখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার, সেখানেই দ্বিগুন গতিতে উন্নয়ন হয়েছে। ৪ রাজ্য জয়ের পর নিজের মত প্রকাশ করলেন নরেন্দ্র মোদি। আজ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২২ বুঝিয়ে দিল ২০২৪-এ কী হবে। সকাল থেকে ভোট গননা শুরু হওয়ার পর যখন প্রথম রাউণ্ডের ফলাফল আসতে শুরু করে তখন থেকেই গেরুয়া ঝড়ের পূর্বাভাস মিলছিল। দিনের শেষে দেখা গেল সেই ট্রেণ্ড অব্যাহত রেখে গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেছে বিরোধীরা, মূলত কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসকে তৃণমূলের সাথে মিশে যাওয়ার পরামর্শ ববির, পাল্টা অধীরের


বিপুল ভাবে জেতার পর এদিন দিল্লিতে বক্তব্য তাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দিল্লির সদর দফতরে কর্মী সমর্থকদের মুখোমুখি হন বিজেপির ‘ব্র্যাণ্ড’ নমো। তাঁকে দেখেই ‘মোদী মোদী’ রবে মুখর হয়ে ওঠে দিল্লিতে বিজেপির পার্টি অফিস সংলগ্ন এলাকা। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যাক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর বক্তব্য রাখতে উঠে এই বিপুল জয়ের কারন ব্যাখ্যা করেন তিনি।
ভাষণের শুরুতেই বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘একদল মানুষ রয়েছেন, যাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছিলেন। বিরোধীদের জন্য আমার পরামর্শ, পুরনো কৌশল বদলান। একটু নতুন করে ভাবনাচিন্তা করুন। জাতিবাদের নামে এতদিন ধরে বিরোধীরা উত্তরপ্রদেশের মানুষকে অপমান করেছেন। জাতপাতের কথা তুলে উত্তরপ্রদেশকে অপমান করা হয়েছে। এবার উত্তরপ্রদেশের মানুষ অপমানের জবাব দিলেন।’
এদিন, উত্তরপ্রদেশ সহ চার রাজ্যে BJP-র জয়ে Ukraine-Russia যুদ্ধের প্রভাব ব্যাখ্যা করলেন মোদি! তিনি বলেন, ‘দুনিয়ার প্রতিটি দেশে যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে। ভারত শান্তির পক্ষে। কাঁচা তেল, পাম অয়েল, কয়লা, গ্যাস, সার, সবকিছুর দাম বাড়ছে। যুদ্ধের কারণে পুরো দুনিয়ায় মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে। এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়েও বাজেট দেখুন। বিশ্বাস জন্মাবে মনে। ভারতের জনতা বিশেষত উত্তরপ্রদেশের জনতা নিজেদের দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছে। লোকতন্ত্র ভারতীয়দের শিরায় শিরায়। তা মানুষ প্রমাণ করেছে।’


BJP-র জয়ে Ukraine-Russia যুদ্ধের প্রভাব, কিভাবে? ব্যাখ্যা করলেন নরেন্দ্র মোদি!

নাম না করে কংগ্রেস কে পরিবারতান্ত্রিক দল বলে কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি কোনও পরিবারতন্ত্র বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে নই। কিন্তু পরিবারতন্ত্র রাজনীতি কীভাবে জনগনের ক্ষতি করেছে, আমি সেটাই বলেছি। এবার পরিবারতন্ত্রের সূর্যাস্ত হবে। পরবর্তী ৫ বছরে প্রাণ বাজি রেখে বিজেপি কর্মীরা নজর রাখবে যাতে পরিবারতন্ত্র মাথা চাড়া দিতে না পারে।








