নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, কিন্তু ক্ষমতা বিজেপির হাতেই । বিহারে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে পুনর্নিবাচিত হয়েছেন নীতিশ কুমার। কিন্তু আসন সংখ্যার হিসাবে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। বিহারের পর বিজেপির টার্গেট বঙ্গ। গত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির ফলাফল ভালো ছিল। তাই এবার লক্ষ্য একুশের বিধানসভা। ইতিমধ্যে রাজনৈতীক কৌশল নিয়ে দুদিনের জন্য রাজ্য তেকে ঘুরে গেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
আরও পড়ুনঃনতুন রেকর্ড তৈরি করে, দীপাবলিতে ৬ লক্ষ ৬ হাজার ৫৬৯ প্রদীপের আলোয় আলোকিত রামজন্মভূমি
একুশের নির্বাচনকে সামনে রেখেই রদবদল হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরে। পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব কৈলাশ বিজয়বর্গীর উপর। এবার তাঁর উপরই সব থেকে বেশি আস্থা রয়েছে দলের। পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকছেন তিনি-ই। এবার তাঁকে সহযোগী হিসেবে বাংলায় কাজ করতে সাহায্য করবেন বিজেপির আইটি সেলের চিফ অমিত মালব্য। বিজেপি তাঁদের কাজে কোন রকমের ত্রুটি রাখতে চাইছেনা।
বিহারের দায়িত্ব পেতে চলেছেন ভূপেন্দ্র যাদব। বিশেষজ্ঞদের মতে সেখানের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার কিন্তু ক্ষমতা থাকবে বিজেপির হাতেই। বিহারের পাশাপাশি গুজরাতও সামলাবেন ভূপেন্দ্র যাদব। মুরলিধর রাওকে দেওয়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশের দায়িত্ব। অন্যদিকে রাম মাধবের হাত থেকে নেই আর কোন দায়িত্ব। এতদিন তিনি মণিপুর ও জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর বদলে এখন মণিপুরের দায়তে দেওয়া হল দলের মুখপাত্র সম্বিৎ পাত্রকে। একুশে বাংলার পাশাপাশি ভোট হবে আসামেও। সেখানের দায়িত্ব পেলেন বিজয়ন্ত জয় পান্ডা। কোন দাতিত্ব দেওয়া হয়নি অনিল জৈন ও সরোজ পান্ডেকে। বাংলা পরিদর্শনে এসে অমিত শাহ বলেন, বলেন, বিজেপির নেতৃত্বরা বঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন চাইছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, কিন্তু ক্ষমতা বিজেপির হাতেই ।কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এখন রাষ্ট্রপতি শাসন দরকার নেই। দরকার হবে না, ৩৫৬ ধারার। কারণ সরকার বদলাতে চলেছে। বঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আর্জির উদ্দেশ্যে রাজ্যপালের মন্তব্য ‘রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি নিয়ে রাজ্যপাল হিসেবে কোন মতামত দিতে পারি না আমি। সংবিধানে এটা উল্লেখ রয়েছে।



