টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হতেই ঘোষণা করা হল টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা International Cricket Council (ICC) বেছে নিয়েছে এবারের ‘টিম অব দ্য টুর্নামেন্ট’। সেই দলে জায়গা পেয়েছেন চারজন ভারতীয় ক্রিকেটার। উল্লেখযোগ্য বিষয়, ফাইনালে ওঠা দল হলেও এই একাদশে জায়গা পাননি New Zealand national cricket team-এর কোনও ক্রিকেটার।
এই সেরা একাদশ বেছে নিয়েছেন ক্রিকেটবিশ্বের কয়েকজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ—ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার Ian Bishop, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক Eoin Morgan, কোচ ও ধারাভাষ্যকার Natalie Germanos, আইসিসি প্রতিনিধি Gaurav Saxena এবং শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া সাংবাদিক Rex Clementine।

ভারত থেকে নির্বাচিত হয়েছেন Sanju Samson, Ishan Kishan, Hardik Pandya এবং Jasprit Bumrah। ওপেনিংয়ে সঞ্জুর সঙ্গী হয়েছেন পাকিস্তানের Sahibzada Farhan। সুপার এইট থেকেই পাকিস্তানের অভিযান শেষ হলেও ফারহান ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। সাত ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৩৮৩ রান, যা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড। একই টুর্নামেন্টে তিনি দুটি শতরানও করেছেন।
সঞ্জু স্যামসনও দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন। পাঁচ ম্যাচে ৩২১ রান করে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। বিশেষ করে শেষ তিন ম্যাচে তাঁর ব্যাটই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
তিন নম্বরে রয়েছেন ঈশান কিশন। নয় ম্যাচে ৩১৭ রান করেছেন তিনি। ফাইনাল-সহ তিনটি ম্যাচে অর্ধশতরান রয়েছে তাঁর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংস ছিল তাঁর সেরা পারফরম্যান্সগুলির একটি।


চার নম্বরে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক Aiden Markram। বিশ্বকাপে ওপেন করলেও সেরা একাদশে তাঁকে মিডল অর্ডারে রাখা হয়েছে। আট ম্যাচে ২৮৬ রান করে দলের ধারাবাহিক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।
পাঁচ নম্বরে রয়েছেন অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ড্য। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। নয় ম্যাচে ২১৭ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ৯টি উইকেট। দু’টি অর্ধশতরানও রয়েছে তাঁর।

ছয় নম্বরে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার Will Jacks। আট ম্যাচে ২২৬ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ৯টি উইকেট। তাঁর অফস্পিন বিশেষ করে ভারতের মন্থর পিচে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
সাত নম্বরে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের Jason Holder। লোয়ার অর্ডারে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং বল হাতে কার্যকর পারফরম্যান্স দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নেপালের বিরুদ্ধে ২৭ রানে ৪ উইকেট ছিল তাঁর অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স।
বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারতের জসপ্রীত বুমরাহ। তিনি ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এবং পাওয়ার প্লে থেকে ডেথ ওভার—সব সময়েই ছিলেন ভয়ঙ্কর কার্যকর।
বাকি তিন বোলার হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার Lungi Ngidi, ইংল্যান্ডের স্পিনার Adil Rashid এবং জ়িম্বাবোয়ের পেসার Blessing Muzarabani। দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে রাখা হয়েছে আমেরিকার Shadley van Schalkwyk-কে।







