নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতার দিল্লি সফরে সবচেয়ে বেশী আলোচনা হয়েছে সুব্রক্ষণ্যম স্বামীকে ঘিরে। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো সাক্ষাত করেন বিজেপি সাংসদ সুব্রক্ষণ্যম স্বামী। সাক্ষাতের সময় বিজেপি সাংসদে বক্তব্য, আমার আলাদা করে যোগদানের প্রয়োজনের নেই। আমি তো আগে থেকেই যোগদান করে রয়েছি। আমি মমতার পাশে রয়েছি।
আরও পড়ুনঃ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী, তার আগে সুব্রক্ষণ্যম স্বামী, বুধে বড় চমক মমতার
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন সুব্রক্ষণ্যম স্বামী। প্রায় ২৫ মিনিট ধরে দু’পক্ষের মধ্যে চলে বৈঠক। বৈঠকে বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা। তবে এই বৈঠকেই বিজেপি নেতার জন্য খুলে গেল তৃণমূলের দরজা? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।
যদিও এই জল্পনা হওয়া স্বাভাবিক। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফরের অনুমোদন কেন্দ্র সরকার না দেওয়ার কারণে কেন্দ্র সরকারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন সুব্রক্ষণ্যম স্বামী। শুধুমাত্র তাই-ই নয়, একাধিক ইস্যুতে মোদি সরকারের সমালোচনা করেছেন তিনি। যা রীতিমতো দিল্লির নেতাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আমি তো আগে থেকেই যোগদান করে রয়েছি, পাশে রয়েছি মমতার

এর আগে মঙ্গলবার একাধিক তিন জন অবিজেপি নেতারা মমতার হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। তাই সুব্রক্ষণ্যম স্বামীর বৈঠক ঘিরে জল্পনা বেড়েছে। শোনা যাচ্ছে বৃহস্পতিবারেও তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন একাধিক হেভিওয়েট নেতা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ২৪ নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতির দিকে তাকিয়ে অশোক তানওয়ার, পবন বর্মা এবং কীর্তি আজাদদের যোগদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।



