নজরবন্দি ব্যুরোঃ বড়দিনে সারা বিশ্বেই নানাভাবে পালিত হয় যীশুর জন্মদিন। তবে, ইউরোপের হাওয়া অনেকদিন লেগেছে বাংলার পালে। গোটা ভারত জুড়ে বইছে আনন্দের স্রোত। তবে সবচেয়ে বেশি মাতোয়ারা বাঙালি। এই যীশুর জন্মকে তাঁরা শুধু ‘দেবতার জন্মে’ আবদ্ধ রাখেনি, উৎসব করে তোলাতেই বেশি আগ্রহ। উত্তর থেকে দক্ষিণ আবহাওয়া বদলে দিয়েছে জনস্রোত। ছুটির মেজাজে সারা বাংলা।
আরও পড়ুনঃ


জঙ্গলে বনভোজনে কিংবা পাহাড়ে পর্যটনে মাতোয়ারা মানুষ। সকাল থেকে শহরের জংশন এলাকায়, তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসে ভিড় হচ্ছে পর্যটরদেরও। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে ভিড় চোখে পড়ার মতো। শুধু তাই নয়, ছোট খাটো মাঠ ময়দানে পিকনিকের আমেজ। এছাড়া কলকাতার দ্রষ্টব্য স্থান গুলিতে উপচে পড়ছে ভীড়। চিড়িয়াখানা, ইকোপার্ক, মিউজিয়াম, গড়ের মাঠে উপচে পড়া ভিড়। পার্কস্ট্রিটকে পাওয়া যাচ্ছে চেনা ছন্দে। তবে বিগত দু’বছরের করোনাকালীন সময়ের অপচয় তাঁরা উপভোগ করে নিচ্ছেন এই বছরে।

যদিও বিশ্ব পরিস্থিতি জে ক্রমশ খারাপ হচ্ছে তা প্রকাশ্যে এসছে ইতিমধ্যেই। করোনা বিষয়ে সাবধানতা খুব একটা গুরুত্ব পাচ্ছে না উৎসবমুখর মানুষজনের কাছে। মাস্ক পরার অভ্যাস কার্যত উঠে গিয়েছে। অসচেতন এই আনন্দ যে ভয়ানক পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে, তা চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন। উৎসবের সঙ্গে করোনা-বিধি মানতে বলছেন তাঁরা।



করোনার চোখ রাঙানি এড়িয়ে বড়দিনের উৎসবে মাতছে বাংলা, লাল-সাদা টুপি আর কেকের আমেজ শহরে

রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় শুক্রবার গজলডোবায় এসে পরামর্শ দিয়েছিলেন, শুধু পর্যটনকেন্দ্রে নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও মাস্ক পরা বিধিসম্মত। বন দফতরের তরফে সচেতনতায় জোর দেওয়া হচ্ছে। করোনা সচেতনতার পাশাপাশি, পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা নিয়েও ফের প্রশ্ন উঠতে চলেছে। মেয়র গৌতম দেব বড়দিনের উৎসবের সূচনার পরে বলেন, “শহরের বিভিন্ন জায়গায় আমরা উৎসব করছি। এসজেডিএ, পুরনিগম, পর্যটন দফতর মিলে শহরকে সাজিয়েছি”।








