নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। দীর্ঘ সময় ধরে জেল হেফাজতে রয়েছি। তাঁকে শর্তাধীন জামিন দেওয়া হলে সমস্তরকমভাবে সাহায্য করব। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি চলাকালীন এমনটাই জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: ডিসেম্বরের শুরুতে দিল্লি যাত্রা মমতার, যাচ্ছেন মেঘালয়ের প্রচারে
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ সময় ধরে জেল হেফাজতে রয়েছেন অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার তাঁকে ফের আদালতে পেশ করা হয়েছে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন মানিক ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ। তদন্ত যতদিন চলতে থাকবে, ততদিন জেলবন্দী থাকব?

অন্যদিকে, ইডির যুক্তি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতারের পরে ৩০ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। আগামী দিনে সেই সম্পত্তির পরিমাণ বাড়তে চলেছে। একইসঙ্গে ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, কলামন্দিরে অল বেঙ্গল টিচার্স অ্যাচিভার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি কর্মসূচিতে টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। একইসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের এমএস কনসালটেন্সির বিষয়ও। সব মিলিয়ে দেড় ঘন্টা ধরে শুনানির পর রায়দান স্থগিত রেখেছে ইডির বিশেষ আদালত।
তদন্ত যতদিন চলতে থাকবে, ততদিন জেলবন্দী থাকব? মানিকের প্রশ্ন ধোপে টিকবে?

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়ন তদন্ত করতে নেমে ইতিমধ্যেই বেসকারি শিক্ষা প্রশিক্ষন কেন্দ্রগুলির কর্তৃপক্ষদের তলব করেছে ইডি। তাঁদের কতজনের কাছ থেকে কীভাবে টাকা নেওয়া হত? তার বদলে মানিকের সঙ্গে কী চুক্তি হয়েছিল? সবটা জানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেজন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলির কর্তৃপক্ষদের নিয়মিত সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে।



