ভারতে প্রবেশ করল হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস (HMPV)। চিন থেকে আসা এই ভাইরাস ইতিমধ্যেই দুই শিশুর শরীরে শনাক্ত হয়েছে। সাধারণ ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই HMP ভাইরাসের উপসর্গ রয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে শ্বাসযন্ত্রে প্রভাব ফেলে। তবে সময় মতো চিকিৎসা না করালে এটি ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে।
এইচএমপিভি ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ
HMP ভাইরাসের লক্ষণগুলি মূলত শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:


- কাশি ও জ্বর: সাধারণ সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ।
- নাক বন্ধ ও শ্বাসকষ্ট: বিশেষত শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেশি দেখা যায়।
- ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়া: উপসর্গ তীব্র হলে এটি আরও জটিল আকার নিতে পারে।
কী ভাবে ছড়ায় এইচএমপিভি ভাইরাস?
HMP ভাইরাস সংক্রমণ সাধারণত সংস্পর্শ এবং বায়ুবাহিত কণার মাধ্যমে ঘটে:
- কাশি ও হাঁচি: সংক্রমিত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে ভাইরাসের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।
- স্পর্শ সংক্রমণ: সংক্রমিত ব্যক্তি বা পৃষ্ঠতল স্পর্শ করলে সেই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
- সংস্পর্শ: আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলানো বা কাছাকাছি থাকলে এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
কীভাবে বাঁচবেন এই ভাইরাস থেকে?
এই ভাইরাস প্রতিরোধে কোভিডের মতোই সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি:
- হাত ধোয়া: ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
- স্যানিটাইজার ব্যবহার: রাস্তাঘাটে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
- ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: বাইরে থেকে এলে হাত-মুখ ও পা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: ঘরের দরজা, জানালা এবং স্পর্শযোগ্য জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ: জ্বর-কাশি হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কেন এই ভাইরাস বিপজ্জনক?
HMP ভাইরাসের কোনও টিকা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। এটি সাধারণত শিশু, বয়স্ক এবং দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের ব্যক্তিদের মধ্যে তীব্র আকারে দেখা যায়। তাই সতর্কতা অবলম্বন করাই একমাত্র উপায়।









