২০১৫ সালের পরে ভারতে এলে নাগরিকত্ব হবে না, বিস্ফোরক ঘোষণা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

যারা ২০১৫ সালের আগে ভারতে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার প্রথম অধিকার রয়েছে। ৫০ লক্ষ মানুষ এই আইনে নাগরিকত্ব পাবেন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে সমাপ্ত হয়েছে লোকসভা ভোট। যেখানে বড় ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। অবশেষে শরিকদের সাথে নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে তারা। তবুও লোকসভা ভোটের আগে দেশজুড়ে কার্যকরী করা সিএএ আইনে পিছু হাঁটছে না বিজেপি। তবে সিএএর বিরোধিতা করে অসমে এই আন্দোলনের ঝাঁঝ ছিল তীব্র।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, যারা ২০১৫ সালের আগে ভারতে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার প্রথম অধিকার রয়েছে। সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন যারা ২০১৫ সালের পরে এসেছেন তাদের ফিরে যেতে হবে। ৫০ লক্ষ মানুষ এই আইনে নাগরিকত্ব পাবেন। যদিও এর আগে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছিলেন, সিএএ পুরো তাৎপর্যহীন হয়ে যাবে কারণ রাজ্যে সেভাবে কেউ আবেদন করছেন না।অসমে নাগরিকত্বের জন্য মাত্র আট জন আবেদন করেছেন।

২০১৫ সালের পরে ভারতে এলে নাগরিকত্ব হবে না, বিস্ফোরক ঘোষণা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর সিএএ বিল পাশ করিয়েছিল কেন্দ্রের মোদী সরকার।সেই বিলে সাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ওই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা যদি উৎপীড়িত হয়ে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত। কিন্তু সিএএ-তে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্তদের কথা উল্লেখ করা হয়নি বলে দেশ জুড়ে নামে আন্দোলনের ঝড়।

২০১৫ সালের পরে ভারতে এলে নাগরিকত্ব হবে না, বিস্ফোরক ঘোষণা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৫ সালের পরে ভারতে এলে নাগরিকত্ব হবে না, বিস্ফোরক ঘোষণা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

এবার সিএএ নিয়ে বড় ঘোষণা অসম সরকার। ইতিমধ্যেই অসম সরকারের সিএএ নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এক কথায় সিএএ কার্যকরী করার নির্দেশ দিয়েছে অসমের মুখ্যমন্ত্রী। হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ এর আগে এদের মধ্যে যারা অসমে প্রবেশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত