নজরবন্দি ব্যুরোঃ CBI-এর দাবি মেনে নারদা মামলা কি সরছে অন্যত্র? আজই শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে।নারদা মামলায় ইতিমধ্যেই অন্তরবর্তিকালীন জামিন পেয়েছে চার হেভিওয়েট অভিযুক্ত মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড ছাড়াও বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে জামিনের উপর। বিচারাধীন নারদা মামলা নিয়ে তাঁরা কোথাও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আপাতত চার অভিযুক্ত বাড়িতেই রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ হাসপাতালের বেডে শুয়েই রাজ্যের হালহকিকত জানছেন বুদ্ধদেব!
তবে জামিন মামলার আপাতত নিস্পত্তি হলেও এই মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু শুনানি বাকি রয়েছে। যে শুনানি আজ হতে চলেছে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে। বেলা ১১ টা থেকে শুরু হবে সওয়াল জবাব। CBI-এর হয়ে মামলা লড়ছেন সলিসিটারি জেনারেল তুষার মেহতা। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের হয়ে লড়ছেন আইনজীবি অভিষেক মনু সিংভি। প্রসঙ্গত গত ২২ মে, সোমবার নারদ মামলায় সিবিআই আধিকারিকরা চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় সদর দপ্তর নিজাম প্যালেসে। তাঁদের মুক্তি দেওয়ার দাবি তুলে করোনা বিধি ভেঙেই নিজাম প্যালেসের সামনে জমায়েত হন তৃণমূলের বহু কর্মী-সমর্থক। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সিবিআই দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে প্রায় ৬ ঘণ্টা ছিলেন তিনি।
ইতিমধ্যে দপ্তরের বাইরে ভিড় এত বাড়তে থাকে যে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করে সেই ভিড় সামলাতে হয়। এই ঘটনাকে খুব একটা ভাল চোখে দেখেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের মনে হয়েছে, জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে চাপ তৈরি করছে দল। সিবিআই আধিকারিকদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনা তুলে প্রভাবশালী তত্ত্ব দেখিয়ে আগেই এই নিয়ে হাইকোর্টের কাছে মামলা অন্যত্র সরানোর দাবি জানিয়েছে CBI। সেক্ষেত্রে ভুবনেশ্বর বা গুয়াহাটির নাম উল্লেখ করা হয়।
CBI-এর দাবি মেনে নারদা মামলা কি সরছে অন্যত্র? আজই শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে। আজ এই নিয়ে শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে। রায় দেবে এই মামলার জন্য তৈরি বৃহত্তর ডিভিশন বেঞ্চ। যে বেঞ্চে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল, অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সউমেন সেন, হরিশ ত্যান্দন ও বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়।



