নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েক দিন ধরেই ঝাড়খণ্ড ঘিরে চুড়ান্ত নাটকিয়তা চলছে। অবশেষে বিধায়ক পদে হেমন্ত সোরেনের অযোগ্যতার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। এমনটাই সূত্রে খবর। এর অর্থ আজই মুখ্যমন্ত্রী সহ বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে হেমন্ত সোরেনকে। একইসঙ্গে ইস্তফা দিতে হবে তাঁর মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যদের। আগামী ছয় মাসে মধ্যে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে ফিরে আসতে পারেন তিনি। তবে কি আজই ইস্তফা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ ‘দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না’, বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি পদে বহাল কেষ্ট।
সূত্রের খবর, নিজের নামে খনি লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে। এনিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের অভিযোগ, মন্ত্রীপদে থাকাকালীন এই কাজ করেছেন হেমন্ত নিজে।সূত্রের খবর, সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন বিধায়ক পদে অযোগ্য বলে দাবি করেছে হেমন্যত সোরেনকে। রাজভবন থেকে সেই বার্তা এলেই ইস্তফা দিতে হবে হেমন্ত সোরেনকে। যদিও এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাবে বলে জানিয়েছেন ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা। শুক্রবার শরিক দলগুলিকে বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। রাঁচিতে সোরেনে বাসভবনে ইউপিএ-র শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন সোরেন। এই পরিস্থিতি কৌশল ঠিক করতে তাঁর এই বৈঠক বলে মনে করা হচ্ছে।
আজই ইস্তফা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত! ঝাড়খণ্ড জুড়ে জল্পনা

ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও হেমন্ত সোরেন মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকবেন। এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এর আগে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জানিয়েছেন এটা বিজেপির একজন সাংসদ এবং গুটি কয়েক সাংবাদমাধ্যমের কাজ। নির্বাচন কমিশনের মতো সংস্থার দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। যা ভারতীয় সংবিধানের জন্য ক্ষতিকারক বলেও দাবি করেন তিনি।



