নজরবন্দি ব্যুরোঃ রবিবার সন্ধ্যায় গুজরাতের মোরবিতে ঝাউলন্ত ব্রিজ ভেঙে ভয়াবহ বিপত্তি ঘটে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে শতাধিক। আহত হয়েছেন শতাধিক। সেই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছিল প্রশাসনের তরফে। মোরবির বিপর্যয়ে কড়া পদক্ষেপ দুর্ঘটনায় ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Calcutta High Court: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা দায়ের, আজই হবে শুনানি
এখনও অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী, ১৭৭ জনকে উদ্ধার করা গেছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। সূত্রের খবর, ১৫ টাকার টিকিট ব্ল্যাকে ১৭ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। কিন্তু এত মানুষের জমায়েত কীভাবে হল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, ১৮৭৯ সালে ব্রিজটি তৈরি হয়েছিল। মেরামতির জন্য সাত মাস বন্ধ ছিল ব্রিজটি। কংগ্রেসের অভিযোগ নির্বাচনের জন্য তড়িঘড়ি চালু করা হয়েছিল ব্রিজটি। চারদিন আগে ব্রিজ খুলে দেওয়ার পরেই এই বিপত্তি ঘটল। নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল রাতেই উপস্থিত হন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নির্বাচনের মুখে এই ধরনের ঘতনা গুজরাতের প্রশাসনের দিকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তাই তদন্ত জারি রেখে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে চাইছে বিজেপি সরকার। সেই ঘটনার পরেই ৯ জনকে আটক করার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
মোরবির বিপর্যয়ে কড়া পদক্ষেপ, নির্বাচনের আগে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন

জানা গিয়েছে, এদিন ৫০০ জনের জমায়েত হয়েছিল। ব্রিজ ভেঙে পড়তেই অনেকেই সাঁতার কেটে বাঁচার চেষ্টা করেন। আবার অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সোমবার সকালে এক কর্মসূচি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি এখানে আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি, কিন্তু আমার মন পড়ে আছে সেতু দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে। আমার জীবনে এমন দুঃখ খুব কমই পেয়েছি। এক দিকে আমার মন ভারাক্রান্ত, অন্য দিকে আমি কর্তব্য পালন করে চলেছি। তিনি বলেন, গুজরাতের জন্য সারা দেশ প্রার্থনা করছে।



