নজরবন্দি ব্যুরোঃ শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচন। ফলাফলে দেখা যাচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৫১ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছে। সেখানে বিজেপি নেমে গিয়েছে তিন নম্বরে। বিজেপির অনেক নেতারা তাদের নিজের বুকেই হেরে গিয়েছেন। এদের মধ্যে একজন শান্তনু ঠাকুর। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর নিজের জায়গাতেই ভোট পাইনি তার দল।
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে সরব সৌমিত্র, কিন্তু কেন?


তাই এবার তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের ডেডলাইন ঘোষণা করে দিলেন। এই একই রকম মন্তব্য করেছিলেন তার দলের সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেই ডেড লাইন সফল হয়নি। আর এবার সেই পথেই হাঁটলেন শান্তনু। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মতুয়া ভোট বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। আরে এটাই মেনে নিতে পারেননি বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ‘আগামী ৫ মাসের মধ্যে রাজ্যের তৃণমূল সরকার পড়ে যাবে’। ‘বাংলায় শাসকদল যেভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন করিয়েছে তাতে গণতন্ত্র চলতে পারে না। তৃণমূল সন্ত্রাস না করলে বিজেপি ১০ গুণ বেশি ভোট পেত। এদের ভাবনা এরা চিরস্থায়ী। কিন্তু এরা চিরস্থায়ী নয়, আগামী ৫ মাসের মধ্যেই এদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।’



তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী ৫মাস মানে ডিসেম্বর। এর আগেও তাঁর দলের নেতারা ওই একই কথা বলেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে বিজেপি কেই পিছনের সারিতে ঠেলে দিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের পর জরুরী বৈঠকে দিল্লি গিয়েছিলেন বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার আর তারপরেই ঠাকুরের ডিসেম্বরের ডেডলাইন পূর্ণ বলি মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
পাঁচ মাসের মধ্যে সরকার পড়ে যাবে! শুভেন্দুর পর এবার ডেডলাইন দিলেন শান্তনু ঠাকুর

দিল্লি থেকে জিপি সভাপতি ফিরে এসে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তা বিজেপি কাকে চিন্তাতেই রাখবো বড় হোক জানুয়ারি হোক ফেব্রুয়ারি হোক ঠান্ডাও পড়বে সরকারও কাঁপবে। প্রায় একই রকম সুর আরেক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের কথাতেও। তিনি বলেছিলেন এই সরকারের কোন ভরসা নেই পদ্মপাতার জলের মতো এই আছে এই নেই। তাই এবার শান্তনু ঠাকুরের কর্তব্য সঙ্গে মিলে যাই। তবে বাস্তবে কি হবে বলবে সময়।








