নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৫ জুন দিল্লি কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলের বৈঠকে প্রথমে শরদ পাওয়ারের নাম প্রস্তাব করা হলেও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এনসিপি প্রধান। এরপর বিকল্প হিসাবে ফারুক আবদুল্লাহ এবং গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর ২১ তারিখ দ্বিতীয় দফার বৈঠকে চুড়ান্ত নাম ঘোষণা করার কথা ছিল শরদ পাওয়ারের। কিন্তু তার আগেই প্রস্তাব ফিইয়ে দিলেন বাকি দুই জন। তবে কী এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে তল্পী গোটাল বিরোধীরা? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ Hilsa Fish: স্বাদে গন্ধে বা রূপে নয়, গুণেও মাছের রানী সে, কিভাবে চনবেন আসল ইলিশ?
কারণ, ফাউক আবদুল্লাহের পর সোমবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন মহাত্মা গান্ধীর পৌত্র গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। তিনি জানিয়েছেন, বিরোধী পক্ষের একাধিক নেতারা আমাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী করার কথা ভাবছেন, আমি তাঁদেরকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। কিন্তু আমার মনে হয়, বিরোধী রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে এমন কাউকে এই পদের জন্য নির্বাচিত করা হোক, যাকে সর্বোসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করা হবে। আমার মনে হয় আমার চেয়ে আরও ভালো কেউ রয়েছে। আমি বিরোধী দলের নেতাদের এধরনের এক ব্যক্তিত্বকে বাছাই করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দড়ি টানাটানি শুরু হতেই সোমবার ফের শরদ পাওয়ারের বাসভবনে উপস্থিত হয়েছেন সীতারাম ইয়েচুরি। সূত্রের খবর, গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম নিয়ে আগে থেকেই বিরোধীদের মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল, তা সোমবার প্রাক্তন রাজ্যপালের সিদ্ধান্তে অনেকটাই দূর হয়েছে। পরিবর্তে কে হবেন বিরোধীদের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী? তা নিয়ে বিরাট চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে তল্পী গোটাল বিরোধীরা,পাওয়ার বাসভবনে আলোচনায় সীতারাম ইয়েচুরি

সূত্রের খবর, রাষ্টড়পতি নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হতেই সোনিয়া গান্ধী নিজে ফোন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তোরজোড় শুরু পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেইমতো ১৫ জুন বৈঠক হয়। এরপর এখন বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আনার দায়িত্ব বর্তেছে শরদ পাওয়ারের ওপরেই। নতুন রাষ্ট্রপতির তালিকায় কাকে দেখা যেতে পারে? তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।



