শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধি, তবে ঘরোয় অর্থনীতি সংকুচিত ৭.৩ শতাংশ।

শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধি, তবে ঘরোয় অর্থনীতি সংকুচিত ৭.৩ শতাংশ।
শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধি, তবে ঘরোয় অর্থনীতি সংকুচিত ৭.৩ শতাংশ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধি, তবে ঘরোয় অর্থনীতি সংকুচিত ৭.৩ শতাংশ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও অপরিকল্পিত বাজেট দুই কারনেই কি শেষ চার দশকের সবথেকে করুণ অবস্থা হল দেশের অর্থনীতি। ২০২০ -২১ অর্থবর্ষের প্রথম থেকেই ধুঁকছিল গোটা দেশের অর্থনীতি। করোনা আসার পর তাতে তৈরি করে দিয়েছে গভীর ক্ষত। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ২০২০-২১ আর্থিক বছরে ঘরােয়া অর্থনীতি ৭.৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘অকারণ প্রশংসা করতে হবে, তাই বিচারকের আসন ছেড়েছি’ ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ নিয়ে বিস্ফোরক সুনিধি চৌহান

অর্থাৎ বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক (-)৭.৩ শতাংশ। গত আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে ঘরােয়া অর্থনীতির সংকোচন হয়েছিল ২৪ শতাংশ। পরের ত্রৈমাসিকে তা কমে হয় ৭.৫ শতাংশ। এত খারাপের মধ্যেই ইতিবাচক যে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি হয়েছে ১.৬ শতাংশ হারে। গত চার দশকে ভারতীয় অর্থনীতিতে এত খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে পরিসংখ্যানবিদরা জানাচ্ছেন সব থেকে খারাপ সময়টা ভারত পেরিয়ে এসেছে। এ বার অর্থনীতি ক্রমশই ঘুরে দাঁড়াবে।

সে দিক থেকে গত আর্থিক বছরে তৃতীয় ত্রৈমাসিকের ফল আশাব্যঞ্জক। কারণ, অনেকে মনে করেছিলেন জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে বৃদ্ধি হবে ১.১ শতাংশ হারে। যা ০.৫ শতাংশ বেশী হয়েছে অর্থাৎ ১.৬ শতাংশ। অনেকেই অবশ্য কেন্দ্রের বাজেট কেও এর জন্য কিছুটা দায়ী করছেন। যে বাজেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন “২০২১ সালের বাজেট প্রবৃদ্ধি জাগিয়ে তুলবে এবং ভারতের স্বনির্ভরতা বাড়িয়ে তুলবে।

শেষ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধি, তবে ঘরোয় অর্থনীতি সংকুচিত ৭.৩ শতাংশ। এটি জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্যকে জোরদার করার দিকে মনোনিবেশ করেছে। এই বাজেট সর্বাত্মক উন্নয়নের কথা বলে। এটি অত্যন্ত সক্রিয় বাজেট।” তবে বিশেসজ্ঞদের মতে করোনা পরিস্থিতি কাটলেই ফের ঘুরে দাঁড়িয়ে উঠবে অর্থনীতি। কারণ বাজারে চাহিদা থাকায় উৎপাদনে সমস্যা হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here