নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বেশ টালবাহানা চলছিল দেশের প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে। বিষয় ছিল কংগ্রেসের সভাপতি হবেন কে। ২০১৯ এ লোকসভা ভোটের হারের পর সভাপতির পদ ত্যাগ করেন তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। আর তার পর থেকেই সভাপতি হারা কংগ্রেস। রাহুল বারবার জানিয়েছেন এবার কংগ্রেসের সভাপতি হোক গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ। কিন্তু গোটা দেশ খুঁজে পাচ্ছেনা রাহুলের বিকল্প।
আরও পড়ুনঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ৪ শহরে জারি থাকবে নাইট কার্ফু!


কয়েকদিন আগেই দলের ২৩ জন বর্ষীয়ান নেতা স্থায়ী সভাপতি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী কে। সেই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস ভেবেছিল প্ল্যান বিকংগ্রেস। নতুন ধাঁচে তৈরি হওয়ার কথা ছিল এই পদ। দেশের চার প্রান্ত থেকে চারজনকে নির্বাচিত করবে দেশ, তাঁদের মাথার ওপর অভিভাবকের ছায়া নিয়ে থাকবেন সোনিয়া গান্ধী। যদিও অভিভাবকের দায়িত্বে থাকলেও সিদ্ধান্ত নেবেন ওই চারজন নির্বাচিত কংগ্রেস নেতা। তবে এখনো যে কংগ্রেস গান্ধী পরিবারতন্ত্র থেকে বেরতে পারেনি তা স্পষ্ট । এতদিন পর্যন্ত দল বারবার প্রশ্ন তুলেছিল রাহুলের সভাপতিত্ব নিয়ে, এবার সেই রাহুল গান্ধীকেই ফের কংগ্রেস সভাপতি করার দাবিতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাশ করাল তারা।
রবিবার দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাশ করানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে রাহুল গান্ধীকে ফের দলের শীর্ষ পদে ফেরাতে হবে। এতদিন বারবার রাহুল অস্বিকার করেছেন সভাপতি হওয়ার জন্য। দলের মধ্যে স্থায়ী সভাপতির দাবিতে যখন কংগ্রেস নেতারা চিঠি পাথাচ্ছিলেন, তখনও রাজি হননি রাহুল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সভাপতি পদে রাহুলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারন সাম্প্রতিক দলীয় সিদ্ধান্তে রাহুল ঘনিষ্ঠ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে।
গুলাম নবি আজাদ, পি চিদম্বরমের মতো সিনিয়র নেতারা গত কয়েকদিন ধরেই চাইছিলেন দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচন হোক। বৈঠকে শেষমেশ ঠিক হয়, মে মাসেই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এবং জুনের মধ্যেই নতুন সভাপতি পাবে প্রদেশ কংগ্রেস। তবে নির্বাচন হলে রাহুল কে কেন বারবার মনোনীত বা চাপ দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জানা যায়নি কিছু। সুত্র জানাচ্ছে কংগ্রেস এখনো গান্ধী পরিবারতন্ত্র থেকে বেরতে পারছে না, বা বেরোতে চাইছে না।









