আরজি কর হাসপাতালের তরুণী খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে এই তদন্ত করছে সিবিআই। এই তদন্ত করবার জন্য দিল্লি থেকে সিবিআই আধিকারিকরা এসেছেন। চার থেকে পাঁচটি টিমে ভাগ হয়ে এই তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর সংস্থা। এই তদন্ত নেমে গত বৃহস্পতিবারই বেশ কয়েকজন চিকিৎসককে তলব করেছিল সিবিআই। এছাড়াও তালা থানার ওসি কেউ জেরা করেন তারা।
সিবিআই সূত্রে খবর এই খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় এবার নজরে রয়েছে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষও। গত কালই তাঁকে জেরার জন্য ডেকে পাঠানো হলেও তিনি যাননি বলে খবর। তাই ফের তাঁকে দাকা হবে বলেই জানা গিয়াছে। শুধু তাই নয় সিবিআই লালবাজারে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক কেউ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে খবর। গতকাল সিবিআই এর একটি টিম ওই তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে যান। সেখানে তার বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। এই খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই সন্দেহের তালিকায় রয়েছে হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক এবং ইন্টারনেটের বিরুদ্ধে।


গতকাল সিবিআই এর একটি টিম আর জি কর হাসপাতালে যান সেখানে তারা সেমিনার রুম পর্যবেক্ষণ করেন। কথা বলেন বর্তমান অধ্যক্ষের সাথেও। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই মামলায় তদন্তকারী অফিসাররা চিকিৎসকদের জেরার উপরেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। গতকাল ৮ জন ডাক্তারি ছাত্রকে সিজিও কমপ্লেক্সের জেরা করা হয়। এদের মধ্যে কয়েকজন ঐদিন রাতে ওই মহিলা চিকিৎসকের সাথে ডিউটিতে ছিলেন। এছাড়াও গতকালই সিবিআই কর্তারা চেস্ট বিভাগের প্রধান এবং সুপারকে যিনি ঐদিন রাতে মহিলা চিকিৎসকের বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিলেন যে তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
তাকেও জেরা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই তদন্তে সিবিআই কর্তারা দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছেন বলেই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনা নিয়ে কলকাতাবাশী সহ গোটা রাজ্যের মানুষ দোষীদের শাস্তির দাবিতে যা আন্দোলন শুরু করেছে তাতে অনেকেই মনে করছেন তৎপরতা দেখানো ছাড়া সিবিআই এর অন্য কিছু করার ছিল না।







