নজরবন্দি ব্যুরো: এবার বেআইনিভাবে হিডকোর জমি বিক্রি হচ্ছে বলে একটি অভিযোগ প্রকাশ্যে এল। নথি জাল করে কিছু প্রতারক নিউটাউনে হিডকোর জমি করছে বলে অভিযোগ। আর এই জমি কেলেঙ্কারির ঘটনা প্রকাশ পেতেই পুলিশকে তদন্তভার দেওয়ার পাশাপাশি বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
আরও পড়ুন: ১৫০ কোটির দুর্নীতিতে যুক্ত মমতা? শুভেন্দুর মুখে ফের আইপ্যাক টেন্ডারের প্রসঙ্গ
শুধু হিডকোর জমিই নয়, কেএমডিএ এবং নগরোন্নয়ন দফতরের কিছু জমি মাঝে মধ্যেই বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে প্রতারকরা। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় স্বীকার করলেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, তিন বছর আগে এক ব্যক্তি দিল্লি থেকে এসে প্রথম এই অভিযোগ জানায়। তার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়। এখন নাকি আবার ফুলে ফেঁপে উঠেছে সেই প্রতারণা চক্র।

ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ‘মূলত মানুষের অজ্ঞতার অভাবেই এই ধরনের চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যারা হিডকোর জমি কিনতে চান তাঁদের উদ্দেশ্যে বলছি। এরকমভাবে গোপনে হিডকোর কোনও প্লট বিক্রি হয় না। মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত বা মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া হিডকোর কোনও জমির একটুও বিক্রি হয় না। জমি বিক্রির আগে প্রকাশ্যে টেন্ডার করে ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়।’

বিধানসভায় বিরোধীরা পাল্টা জানতে চান, এই জমি বিক্রির ঘটনায় হিডকোর একাংশ জড়িত না হলে কোনটি ফাঁকা বা কোনটি বিক্রি হয়েছে তা প্রতারকরা কীভাবে জানবে? সে প্রশ্নের উত্তরে হাকিম বলেন, ‘হিডকোর জমির তালিকার বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইট থেকেই পাওয়া যায়। যারা হিডকোর জমি কিনতে চান, তাঁরা সকলে সরকারি দফতরে আসুন। এখানে যোগাযোগ না করলে আপনারা প্রতারণার ফাঁদে দেবেন।’



