নজরবন্দি ব্যুরো: রাম মন্দিরের নামে চাঁদা, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে রাম মন্দির নির্মাণ হওয়ার পথে। এবার এই রাম মন্দির নিয়েই দুর্নীতির কথা প্রকাশ্যে এল। মন্দির নির্মাণের জন্য টাকা জোগাড়ের নামে অনেককে প্রতারণা করার খবর সামনে উঠে এল।ঘটনাস্থল মুরাদাবাদ।
আরও পড়ুন: ঘর ওয়াপসি সিরাজের, বিজেপিতে যোগ দিয়ে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন
ইতিমধ্যেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দলের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। রাম মন্দির নির্মানের সঙ্গে যুক্ত মুরাদাবাদ সমিতির পদাধিকারিরা এই হিন্দু সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এই সংগঠনটি রাম মন্দিরের নামে অবৈধ তোলা তুলছিল। এমনটাই জানিয়েছেন রাম মন্দির নিধি সমর্পণ সমিতির মন্ত্রী প্রভাত গোয়েল।
প্রভাত গোয়েল আরও জানিয়েছেন, আমাদের কিছু কার্যকর্তা যখন কৃষ্ণা নগরের কেজরিসরায়তে গিয়েছিলেন তখন সেখানকার স্থানীয়রা জানান দুদিন আগেই তাঁরা চাঁদা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে একুশ টাকা এবং পঁচিশ টাকার একটি রসিদও দেখান। তখন আমরা জিজ্ঞাসা করি যে এই চাঁদা আপনারা কাকে দিয়েছেন তখন তাঁরা ৪ ৫ জনের নাম নেন। এরপর আমরা কনফার্ম করার জন্য তাঁদের ফোন করি তখন তাঁরা বলে যে হ্যা এটা সত্যি মন্দির নির্মাণের জন্য ফাণ্ডের টাকা সংগ্রহ করছি। কিন্তু আমরা তাঁদের বলি যে মন্দির নির্মাণের জন্য চাঁদা তোলার অধিকার কারোর নেই।
রাম মন্দিরের নামে চাঁদা, প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে বর্তমান রাম মন্দিরের স্থানে থাকা বাবরি মসজিদটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। দাবি ছিল বহুপূর্বে এই মসজিদের যায়গায় রাম জন্মগ্রহন করেছিলেন। এরপর থেকেই বিজেপি দাবি জানাতে থাকে ওই স্থানে রাম মন্দির নির্মানের। অবশেষে গত বছর সুপ্রিম ওই যায়গায় ২.৭৭ একর জমিতে রাম মন্দির নির্মানের অনুমতি দের। সেই রাম মন্দিরের ভূমিপূজা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৯ বছর পর অযোধ্যা যান নরেন্দ্র মোদী।



